
এম.এ পরীক্ষাটা আর দেওয়া হলো না—অভাব সব স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছিল। হলদিবাড়ীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা রায়ের যখন পুণ্ডিবাড়ীতে বিয়ে হলো, তখন জীবন ছিল এক অনিশ্চিত লড়াই। সেই মেয়েটি যখন টিকে থাকার জেদে মাঠে নেমে কাজ শুরু করলেন, তখন চারপাশের মানুষ উপহাস করে বলত— ‘এম.এ পড়তে গিয়ে শেষে ছাগল চড়াবে?’ গ্রামবাসীর এই বিষবাক্যগুলোই সেদিন প্রিয়াঙ্কার জেদ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে কোচবিহার জেলার ঢাং ঢিংগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সেই প্রিয়াঙ্কা রায় শুধু একজন সফল খামারি নন, তিনি নারী শক্তির এক জ্বলন্ত বিপ্লব। প্রিয়াঙ্কার এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প শুরু হয়েছিল এক বুক দীর্ঘশ্বাস আর পাহাড়সম বাধা নিয়ে। আজ সেই ছোট্ট ৩টি ছাগল থেকে শুরু হওয়া যাত্রাটি তাকে নিয়ে গেছে ২০ লক্ষ টাকার বিশাল বাণিজ্যিক খামারের স্বপ্নের দিকে।
১. পাহাড়সম বাধা ও একাকী লড়াই
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) দিদিদের আমি যখনই বোঝাতে যাই, তখনই দেখি তাদের প্রথম বাধা হলো নিজের ঘর। প্রিয়াঙ্কার ক্ষেত্রেও তাই ছিল। ২০১৯ সালে অভাবের কারণে পড়াশোনা থেমে যাওয়ার পর যখন তিনি ছাগল পালনের সিদ্ধান্ত নেন, তখন এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প গড়ার পথে স্বামী কিংবা পরিবার কেউই তার পাশে ছিল না। চারপাশের মানুষের কটু কথা ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা জানতেন, সাফল্য এলে মানুষের মুখ নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। আমি দেখেছি, একজন নারীর প্রকৃত সাফল্য তখনই আসে যখন তার সবচেয়ে বড় শত্রু অর্থাৎ তার সমাজ এবং তার ওপর অবিশ্বাসী মানুষগুলো তার পাশে এসে দাঁড়ায়। ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প তখনই পূর্ণতা পায় যখন নিজের ঘর থেকে সমর্থন আসে।
২. আনন্দধারা ও CMSA: বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় ভাগ্যের চাকা
প্রিয়াঙ্কা জানতেন, চিরাচরিত প্রথায় ছাগল পাললে অভাব মিটবে না। তিনি যখন আনন্দধারা Community Managed Sustainable Agriculture (CMSA) প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার জন্যে আলোচনায় গেলেন তখন তার কাছে সংগ্রাম জীবনের গল্প জানতে চেয়েছিল CMSA-CRP রা তখন তিনি ঠিক করে বলতে না পারলেও ছাগল খামার তৈরির ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেদিনই তাকে CRP রা বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির মাধ্যমে ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প লেখার সাহস দিয়েছিল। তিনি শিখলেন—মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালন করলে ছাগলের রোগবালাই ৬০% কমে যায়। তিনি স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে ৩৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে আধুনিক মাচা ঘর তৈরি করলেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনি যদি প্রিয়াঙ্কা দিদির মতো সফল হতে চান, তবে ছাগলের বাসস্থান ও থাকার জায়গা আধুনিক করা জরুরি। বিস্তারিত জানতে আমাদের এই গাইডটি পড়ুন: [ছাগল পালন পদ্ধতি ও বাসস্থান নির্মাণ]।
৩. ২০২৫-এর সেই বিশেষ সম্মান: বিডিও অফিস থেকে স্বীকৃতি
প্রিয়াঙ্কার এই পরিশ্রমের কথা পৌঁছে গিয়েছিল কোচবিহার জেলা গ্রাম উন্নয়ন বিভাগ (DRDC)- আনন্দধারা বিভাগে। ২০২৫ সালের নারী দিবসে কোচবিহার II বিডিও অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোচবিহার জেলা আনন্দধারা অ্যাডিশনাল প্রজেক্ট ডিরেক্টর (APD) সুমনা ব্যানার্জী মহাশয়া প্রিয়াঙ্কার হাতে বিশেষ পুরস্কার তুলে দিলেন। সেদিন প্রিয়াঙ্কার চোখে ছিল আনন্দের জল। সেই মুহূর্তে তার মনে পড়ে যাচ্ছিল সেই সব দিনের কথা, যখন তাকে উপহাস করা হয়েছিল। এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প আজ বাংলার প্রতিটি অবহেলিত নারীর সম্মান ফিরিয়ে দিচ্ছে।

৪. বর্তমান সাফল্য: ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাস্তব চিত্র
বাস্তবতা আমাদের আগের সব হিসেবকে ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে প্রিয়াঙ্কার খামারে মোট ৮০টি সুস্থ-সবল ছাগল রয়েছে। প্রিয়াঙ্কার এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প এখন অর্থনৈতিকভাবেও অনেক শক্তিশালী। তিনি মাসে গড়ে ৩-৪টি ছাগল বিক্রি করছেন। অর্থাৎ বছরে প্রায় ৪০টি ছাগল বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি গড়ে ৮ কেজি ওজনে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করে তিনি বছরে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করছেন। প্রিয়াঙ্কা বুঝেছেন যে, শুধু বিক্রিতে নয়, বরং সঠিক চিকিৎসাতেই লাভ লুকিয়ে আছে।
পরামর্শ: ছাগল খামারে লাভ করতে হলে রোগের লক্ষণ চেনা ও প্রতিকার জানা সবচেয়ে জরুরি। পড়ুন আমাদের বিশেষ ব্লগ: [ছাগলের রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার]।
৫. স্বামী যখন সাফল্যের প্রধান শক্তি
প্রিয়াঙ্কা তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, নারী শুধু ঘর নয়, অর্থনীতিও সামলাতে পারে। আজ প্রিয়াঙ্কার সেই স্বামী, যিনি একসময় সাপোর্ট করেননি, তিনিই এখন খামারের প্রধান দেখাশোনাকারী। একজন নারীর প্রকৃত জয় তখনই হয়, যখন তার পরিবার তার স্বপ্নের অংশীদার হয়। আজ প্রিয়াঙ্কা গর্ব করে বলেন, “আমার স্বামী পাশে না থাকলে আজ হয়তো আমি এতদূর আসতে পারতাম না।” এটিই আনন্দধারা প্রকল্পের মূল সার্থকতা—পরিবারকে এক সুতোয় গেঁথে স্বাবলম্বী করা।
৬. এক থেকে একতা: প্রিয়াঙ্কা যখন দলনেত্রী
সাফল্য একা ভোগ করার নাম নয়, সাফল্য হলো অন্যকে সাথে নিয়ে চলা। প্রিয়াঙ্কা আজ শুধু নিজের খামার নিয়ে ব্যস্ত নন। তিনি আনন্দধারা থেকে ‘একতা গোট প্রোডিউসার গ্রুপ‘ তৈরি করেছেন ৩০ জন SHG দিদিকে নিয়ে। এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প আজ গ্রামের বিনোদিনী, বিউটি, মিঠু, জ্যোৎস্না ও সাগরিকা দিদিরা ছাগল পালন ও মাছ চাষের স্বপ্ন দেখছেন যেটা মনের ভেতরে লালন করলেও পারিবারিক বা সামাজিক কারণে আগে ভাবতে পারেনি। প্রিয়াঙ্কা সফল না হলে এই দিদিদের অনেকেরই স্বামীরা হয়তো কখনোই তাদের একা কিছু করতে সাহস দিতেন না। তাদের সাফল্য গল্প আগামীতে আমরা একদিন জানব। ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প এভাবেই সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে।
৭. ২০ লক্ষ টাকার স্বপ্ন: ২০ হাজার থেকে কোটিপতি হওয়ার পথ
প্রিয়াঙ্কার এই লড়াই শুধু নিজের সংসার চালানোর জন্য ছিল না। আনন্দধারা প্রকল্পের ঋণ এবং সঠিক প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে তিনি আজ এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছেন, যা সাধারণের কল্পনার বাইরে। যেখানে অনেক দিদি আজও ২০ হাজার টাকা ঋণ নিতে দ্বিধা করেন, সেখানে প্রিয়াঙ্কা আজ ২০ লক্ষ টাকার NLM (National Livestock Mission) সাবসিডি লোনের স্বপ্ন দেখছেন। জমি নিজের নামে না থাকার বাধা সত্ত্বেও তিনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। খামারের কাজে ডুবে থেকে অনেক সময় নিজের শরীরের যত্ন নেওয়ার কথা ভুলে যান তিনি, সঠিক সময় না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন—তবুও তার কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন তাকে থামতে দেয় না।
৮. বিকল্প আয়ের উৎস: কাঁঠাল বাগান ও দেশি মুরগি
প্রিয়াঙ্কার দূরদর্শিতা এখানেই যে তিনি কোনো একটি উৎসের ওপর নির্ভরশীল নন। তিনি জানেন কৃষিতে ঝুঁকি থাকে, তাই তিনি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা বেছে নিয়েছেন। ১০ কাঠা জমিতে তার ১২ মাসি কাঁঠাল বাগান এখন পূর্ণ যৌবনা। এর পাতা ছাগলের প্রিয় খাবার, আর এঁচোড় বিক্রি করে তিনি বাড়তি নগদ টাকা আয় করেন। ২০২৬-এর মার্চ মাস থেকেই তিনি ১০০০টি দেশি মুরগি পালন শুরু করার টার্গেট নিয়েছেন। এটি তার সাফল্যের পথে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে।

আড়ও দেখুন সমন্বিত কৃষি নারী উদ্যোক্তা শূন্য থেকে লক্ষপতি: অমৃতা দাসের Integrated Farming থেকে প্রতি মাসে ৩৫,০০০-৪০,০০০ টাকা আয় সাফল্যের কৃষি সূত্র
৯. নতুন খামারিদের প্রতি প্রিয়াঙ্কা রায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ
প্রিয়াঙ্কাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যারা নতুন শুরু করতে চান তাদের জন্য তিনি কী বলবেন, তখন তিনি তার জীবনের নির্যাস থেকে কিছু দামি কথা শেয়ার করেন। প্রিয়াঙ্কার মতে:
“স্বপ্ন দেখা খুব ভালো কথা, কিন্তু সেই স্বপ্ন নিয়ে শুধু বসে থাকা ঠিক নয়। আমি মনে করি, যদি কিছু করতে হয় তবে আজই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুধু সাহায্যের আশায় বসে না থেকে নিজেকেই উদ্যোগ নিতে হবে। গোষ্ঠী (SHG) থেকে লোন নিয়ে ছোট করে শুরু করুন, কিন্তু শুরুর আগে অবশ্যই পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। কারণ পরিকল্পনাবিহীন কাজ কখনো সফল হয় না।”
তিনি আরও মনে করেন, অভাব বা সামাজিক বাধা আসবেই, কিন্তু নিজের লক্ষ্য স্থির থাকলে সাফল্য একদিন আসবেই। যদি ছাগল পালন নিয়ে আপনার কোনো স্বপ্ন থাকে, তবে প্রিয়াঙ্কার দেওয়া এই ৫টি মূল বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন:
সফল খামারি হওয়ার ৫টি জাদুকরী মন্ত্র:
- ১. অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ: শুরুতেই বড় খামার নয়, ৫-৬টি ছাগল দিয়ে হাতে-কলমে শিখুন।
- ২. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা: খামারিদের লোকসানের কারণগুলো নোট করুন যাতে আপনার সেই ভুল না হয়।
- ৩. প্রশিক্ষণই শক্তি: সরকারি প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- ৪. ধৈর্য: প্রথম ১৮ মাস সবচেয়ে কঠিন, ৩ বছর টিকে থাকতে পারলেই লাভের মুখ দেখবেন।
- ৫. সুরক্ষা: শেয়াল-কুকুর ও বাইরের রোগ থেকে বাঁচাতে ছাগলকে নির্দিষ্ট ঘেরার মধ্যে রাখুন।
👉 [প্রিয়াঙ্কার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ ৩০টি বিশেষ সূত্র বিস্তারিত পড়ুন এখানে]
১০. উপসংহার: সংগ্রামের শেষ হাসি
প্রিয়াঙ্কা রায়ের এই সংগ্রাম এবং জয়ের গল্প আমাদের শেখায় যে, দারিদ্র্য কোনো বাধা নয় যদি মনে জেদ থাকে। একজন SHG দিদি হয়ে তিনি আজ বার্ষিক ৬ লক্ষ টাকা আয়ের যে স্বপ্ন দেখছেন, তা কেবল একাগ্রতা আর সঠিক পরিশ্রমের ফল। তার এই যাত্রা আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা। প্রিয়াঙ্কা প্রমাণ করেছেন যে, পরিকল্পনা আর সাহসের মেলবন্ধন ঘটলে আগামীর ‘লাখপতি দিদি’ আপনিও হতে পারেন।
জরুরি পশু চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা (হেল্পলাইন)
যদি আপনার খামারে হঠাৎ কোনো ছাগল মারা যায় বা অনেক ছাগল অসুস্থ হয় পশু হাসপাতাল বা ভ্যাটেনারী রেজিস্টার্ড পশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় , তবে সময় নষ্ট না করে সরকারের টোল ফ্রি নম্বরে কল করুন। আপনার এলাকায় থাকা সরকারি মোবাইল মেডিকেল ভ্যান দ্রুত আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: লাভজনকভাবে ছাগল পালনের আধুনিক পদ্ধতি কী?
উত্তর: বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক হলো মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালন। কোচবিহারের প্রিয়াঙ্কা রায় এই আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেই আজ সফল। এই পদ্ধতিতে ছাগল মাটি থেকে উঁচুতে থাকায় সংক্রমণ কম হয় এবং দ্রুত ওজন বাড়ে। যারা নতুন করে ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প গড়তে চান, তাদের জন্য এই ছাগল পালনে সাফল্যের গল্প এর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি অত্যন্ত কার্যকর।
প্রশ্ন: ছাগল পালনে সরকারি লোন বা অনুদান পাওয়ার উপায় কী?
উত্তর: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আনন্দধারা প্রকল্প বা NLM (National Livestock Mission)-এর মাধ্যমে ছাগল পালনের জন্য বড় অংকের লোন পেতে পারেন। প্রিয়াঙ্কা রায়ও এই সরকারি সহায়তার ওপর ভিত্তি করেই বর্তমানে ২০ লক্ষ টাকার বাণিজ্যিক খামারের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। সঠিক প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিলে ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি বা সাবসিডি পাওয়ার সুযোগ থাকে।
প্রশ্ন: ছাগল পালনে আয় কেমন এবং কত দিনে লাভ শুরু হয়?
উত্তর: সঠিক জাতের (যেমন ব্ল্যাক বেঙ্গল) ৩-৫টি ছাগল দিয়ে শুরু করলে ১ থেকে ১.৫ বছরের মধ্যে ভালো আয় শুরু হয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই ব্যবসার মাধ্যম। সঠিক প্রশিক্ষণ থাকলে ঘরোয়া খাবারের পাশাপাশি বিজ্ঞানসম্মত পরিচর্যা করলে অল্প পুঁজিতেই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখা সম্ভব, ঠিক যেমনটি প্রিয়াঙ্কা রায় প্রমাণ করেছেন।
তথ্য সূত্র ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার
এই সাফল্যের গল্পটি নিম্নলিখিত উৎস এবং বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে:
- সরাসরি সাক্ষাৎকার: এই কন্টেন্টের প্রধান তথ্যসমূহ প্রিয়াঙ্কা রায় (সফল উদ্যোক্তা, কোচবিহার) এবং তার পরিবারের সাথে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।
- প্রকল্পের তথ্য (WBSRLM): পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গ্রামীণ জীবিকা মিশন বা ‘আন ন্দধারা’ (West Bengal State Rural Livelihoods Mission-WBSRLM) প্রকল্পের নির্দেশিকা এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) ঋণ সংক্রান্ত নথি। কমিউনিটি ম্যানেজড সাস্টেইনেবল এগ্রিকালচার (CMSA) এর আওতায় বৈজ্ঞানিক উপায়ে ছাগল পালনের প্রশিক্ষণ মডিউল এবং আধুনিক মাচা পদ্ধতির তথ্য।
- বিভাগীয় স্বীকৃতি: কোচবিহার জেলা গ্রাম উন্নয়ন বিভাগ (DRDC) এবং সংশ্লিষ্ট ব্লক উন্নয়ন দপ্তরের (BDO Office) ২০২৫ সালের নারী দিবসের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের রেকর্ড।
- আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা: এনএলএম (National Livestock Mission) এর বর্তমান লোন পলিসি এবং প্রিয়াঙ্কা রায়ের খামারের বাস্তব আয়-ব্যয় সংক্রান্ত খতিয়ান।










