
বর্তমান সময়ে দানা শস্যের মধ্যে লাভজনক ও অর্থকারী ফসল হিসেবে ভূট্টার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার উৎপাদন ক্ষমতা অনেক গুণ বেশি, তাই এটিকে ‘দানাশস্যের রানী’ বলা হয়ে থাকে। আপনি যদি সঠিক ভুট্টা চাষ পদ্ধতি ( vutta chas poddhoti ) অনুসরণ করেন, তবে কম খরচে দ্বিগুণ ফলন ও অতিরিক্ত লাভ পাওয়া সম্ভব।
এই নিবন্ধে কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী ভুট্টা চাষের সঠিক পদ্ধতি, মাটি নির্বাচন, উপযুক্ত সময়, জাত নির্বাচন, বীজ শোধন ও বপনের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
১. ভুট্টা চাষের অনুকূল পরিবেশ ও গুরুত্ব
ভুট্টা একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য। দানা শস্যের মধ্যে এতে কার্বোহাইড্রেট (৬৬.২%), প্রোটিন (১১.২%) ও ফ্যাট (৩.৬%) সহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন বিদ্যমান। বর্তমানে উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ১০ সেন্টিগ্রেড থেকে ৩৫ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ভুট্টা খুব ভালোভাবে চাষ করা যায়।
ভুট্টা চাষের অনুকূল পরিবেশ:
- উপযুক্ত মাটি: জলনিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত উর্বর দোআঁশ মাটি ভুট্টা চাষের পক্ষে আদর্শ। তবে বেলে থেকে এঁটেল মাটিতেও উপযুক্ত পরিচর্যায় ভুট্টা চাষ করা সম্ভব।
- আবহাওয়া: শীতের সময়কাল কমে যাওয়া ও অনিশ্চিত বৃষ্টির কারণে বোরো ধানের বিকল্প ফসল হিসেবে ভুট্টা চাষ সবচেয়ে উপযোগী।
২. ভুট্টা চাষের উপযুক্ত সময়
ভুট্টা মূলত দুটি প্রধান মরশুমে চাষ করা যায়। সঠিক সময়ে বীজ বপন না করলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যায় না।
- প্রাক খরিফ মরশুম: মাঘ মাসের মাঝামাঝি থেকে ফাল্গুন মাস (জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চের মাঝামাঝি)।
- রবি মরশুম: কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে অগ্রহায়ণ মাস (অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি)।
৩. উন্নত জাত নির্বাচন
ভুট্টা চাষের সঠিক পদ্ধতি-তে উচ্চ ফলন পেতে সঠিক উন্নত বা সংকর (Hybrid) জাত নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি।
- সংকর (Hybrid) জাত: ৩০ভি ১২, যুবরাজ গোল্ড, এল জি-৩৪.০৫, পি ৩৩৫৫, জে.কে.এম.এইচ-৮৮৪৮, জেকেসি-১০০ এম গোল্ড, জেকেসি-১১২০, ডি.এম.আর.এইচ-১০০১, ডি.এম.আর. এইচ-১৩০৮, ডিকম্ব-১০০ এম গোল্ড, ডিকম্ব-ডিকিসি ১০৮১, ডিকম্ব অলরাউন্ডার, জেকে ৩১০১ (স্বর্ণ), এন.কে-৩০, পি.এ.সি- ৭৪০, ৭৪৬ ইত্যাদি।
- যৌগিক (Composite) জাত: কিষান, বিজয়, বিক্রম, জওহর, অম্বার, নবজ্যোৎ, মেঘা, প্রভাত, প্রতাপ ইত্যাদি।
- অন্যান্য বিশেষ জাত: পপকর্ন (জহর পপকর্ন-১১, পাল পপকর্ন, ভি.এল অম্বার পপকর্ন), সুইটকার্ন (আজাদ কমল, উইন ইয়েলো সুইট কর্ন, মাধুরী, সুইট কর্ন-৯) এবং বেবি কর্ন (প্রকাশ, এইচ এম-৪ বিবেকহাইব্রিড-৯, পুসা আলি হাইব্রিড-১, ভি.এল-৭৮)।
৪. বীজ হার ও ভুট্টার বীজ শোধন পদ্ধতি
প্রতি বিঘায় সংকর বা উন্নত জাতের ভুট্টার জন্য ১.৫ থেকে ২.৫ কেজি (দানার আকার অনুযায়ী) বীজের প্রয়োজন হয়।
ভুট্টার বীজ শোধন নিয়ম: বীজবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য বপনের পূর্বে ভুট্টার বীজ শোধন করা বাধ্যতামূলক।
- ঢলে পড়া প্রবণ এলাকায় প্রতি কেজি বীজের সাথে থাইরাম ৩৭.৫% + কার্বক্সিন ৩৭.৫% মিশিয়ে ২.৫ গ্রাম হারে বীজ শোধন করতে হবে।
- অথবা প্রতি কেজি বীজে থাইরাম ৭৫% (২.৫-৩ গ্রাম), কারবেন্ডাজিম ৫০% (২.৫-৩ গ্রাম), ক্যাপটান ৫০% (৪-৫ গ্রাম) বা টেবুকোনাজোল ২% ডি.এস (১ গ্রাম) মিশিয়ে শোধন করে নিন।
৫. ভুট্টা বীজ বপন পদ্ধতি ও দূরত্ব
সঠিক দূরত্বে বীজ রোপণ করলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং প্রতিটি গাছে পুষ্ট মোচা ধরে।
- সারি থেকে সারি ও গাছের দূরত্ব: সংকর (Hybrid) ভুট্টার ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২৪ ইঞ্চি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১০ ইঞ্চি হওয়া উচিত। অন্যান্য সাধারণ জাতের ক্ষেত্রে ২০ ইঞ্চি × ১২ ইঞ্চি দূরত্ব রাখা দরকার।
- বপনের গভীরতা: মাটি থেকে বীজ ২.৫ ইঞ্চি গভীরে বপন করতে হবে।
- গাছের সংখ্যা: সঠিক ভুট্টার বীজ বপন নিয়ম মানলে প্রতি বিঘায় আনুমানিক ৪,৮৮৮ টি গাছ থাকবে।
৬. ভুট্টা চাষের সার প্রয়োগ পদ্ধতি ও সার ব্যবস্থাপনা
অধিক ফলন পাওয়ার জন্য সুষম সার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুট্টা চাষের সার ব্যবস্থাপনা প্রধানত জৈব সার, রাসায়নিক সার এবং অনুখাদ্যের সঠিক সমন্বয়ে সম্পন্ন করতে হয়।
জৈব সার প্রয়োগ (বিঘা প্রতি):
- জমি তৈরির সময় উত্তমরূপে পচা গোবর বা কম্পোস্ট সার ৪-৫ ঠেলা মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।
- অথবা কেঁচো সার (ভার্মিকম্পোস্ট) ৩৫০ কেজি ভুট্টা লাগানোর নালাতে প্রয়োগ করতে পারেন।
জীবাণু সার প্রয়োগ (বিঘা প্রতি):
রাসায়নিক সার প্রয়োগের ২-৩ দিন আগে অ্যাজোটোব্যাকটর বা অ্যাজোস্পাইরিলামের সাথে ফসফোব্যাকটেরিন ২ কেজি ১০-১৫ কেজি ঝুরঝুরে গোবর সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
রাসায়নিক সার প্রয়োগের সঠিক সময় ও মাত্রা (বিঘা প্রতি কেজি):
ভুট্টা চাষে মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত উচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে সঠিক সময়ে সুষম মাত্রায় রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। জাতের বৈচিত্র্য অনুযায়ী সংকর ও যৌগিক ভুট্টার খাদ্য চাহিদায় পার্থক্য থাকে, তাই জমি তৈরির সময় শেষ লাঙলের পাশাপাশি নির্দিষ্ট ব্যবধানে দুটি চাপান সারের প্রয়োগ তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. যৌগিক ভুট্টার সার প্রয়োগ তালিকা (বিঘা প্রতি কেজি):
| সার প্রয়োগের সময় | ইউরিয়া (N) | ফসফেট (SSP ) | পটাশ (MOP) |
|---|---|---|---|
| শেষ লাঙলের আগে | ১৪ কেজি | ৫৮ কেজি | ৫ কেজি |
| প্রথম চাপান (৩০ দিন পর) | ১৩ কেজি | – | ৫ কেজি |
| দ্বিতীয় চাপান (৪৫ দিন ) | ১৩ কেজি | – | ৫ কেজি |
২. সংকর (Hybrid) ভুট্টার সার প্রয়োগ তালিকা (বিঘা প্রতি কেজি):
| সার প্রয়োগের সময় | ইউরিয়া (N) | ফসফেট (SSP ) | পটাশ (MOP) |
|---|---|---|---|
| শেষ লাঙলের আগে | ১৫ কেজি | ৬৩ কেজি | ৫.৫ কেজি |
| প্রথম চাপান (৩০ দিন পর) | ১৪ কেজি | – | ৫ কেজি |
| দ্বিতীয় চাপান (৪৫ দিন ) | ১৪ কেজি | – | ৫ কেজি |
অনুখাদ্য প্রয়োগ:
মাটি পরীক্ষার পরামর্শ অনুযায়ী দস্তা বা বোরণের অভাব দেখা দিলে শেষ চাষে প্রতি বিঘায় জিঙ্ক সালফেট ২১% (৩.৩ কেজি) এবং বোরান ১০.৫% (১.৩ কেজি) ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া পাতায় স্প্রে করার জন্য ভুট্টা লাগানোর ১ মাস পর জিঙ্ক ইডিটিএ-১২% (০.৫ গ্রাম) এবং বোরান ২০% (১ গ্রাম) প্রতি লিটার জলে গুলে স্প্রে করতে হবে।
৭. সেচ ও আগাছা নিয়ন্ত্রণ
আগাছা দমন: ভুট্টা লাগানোর ৩ সপ্তাহের মধ্যে জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। প্রয়োজনে নিরানি দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করা যায়। রাসায়নিক দমনের জন্য ভুট্টা লাগানোর ১ দিনের মধ্যে আট্রাজিন ৫০% (৪০০ গ্রাম) বা সিমার্জিন ৫০% (৪০০ গ্রাম) ৭৫ লিটার জলে গুলে স্প্রে করতে হবে।
- সেচ ব্যবস্থাপনা: ভুট্টা গাছে সাধারণত ৪টি সেচের প্রয়োজন হয়:
- প্রথম সেচ: ভুট্টা লাগানোর পর প্রয়োজনভিত্তিক।
- দ্বিতীয় সেচ: হাঁটু সমান গাছের উচ্চতায়।
- তৃতীয় সেচ: পুরুষ ফুল (মোচা আসা) বা স্ত্রী ফুল আসার সূচনায়।
- চতুর্থ সেচ: দানায় দুধ আসার সময়ে।
- নোট: ৩০ দিন পর ১ম চাপান সার দিয়ে গাছের গোড়ায় মাটি ধরিয়ে দিতে হবে যাতে বাতাসে গাছ পড়ে না যায়।
৮. ভুট্টার রোগ ও পোকা দমন
ভুট্টা চাষে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে হলে শুরু থেকেই রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে ফল আর্মিওয়ার্ম (Fall Armyworm), কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা এবং পাতার ধসা রোগ ভুট্টার ফলনে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। তাই সঠিক সময়ে পোকার লক্ষণ চিনে জৈব বা রাসায়নিক উপায়ে সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
(ভুট্টার ক্ষতিকর পোকা ও রোগ দমনের বিস্তারিত ওষুধ ও স্প্রে করার তালিকা জানতে আমাদের ভুট্টার রোগ ও পোকা দমন নির্দেশিকা পোস্টটি পড়ুন।)
৯. ভুট্টা কিভাবে সংগ্রহ করতে হয় ও ফলন
- ফসল তোলা: দানার খোসা শুকিয়ে গেলে ভুটের মোচা (Cob) গাছ থেকে তুলে নিতে হবে। তবে খোসার ছাল ছাড়িয়ে দানায় শতকরা ১২ ভাগের বেশি জল না থাকলে কচি নরম বা সিদ্ধ বা দুধাবস্থায় তুলে বিক্রি করা যায়।
- ফলন ও লাভ: সঠিক ভুট্টা চাষের সঠিক পদ্ধতি মেনে চাষ করলে প্রতি বিঘায় ৩০ থেকে ৪০ মন (হেক্টরে ৯ থেকে ১২ মেট্রিক টন) ফলন পাওয়া যায়। এতে বিঘা প্রতি প্রায় ৮,০০০/- টাকা থেকে ১০,০০০/- টাকা লাভ হওয়া সম্ভব।
১০. ভুট্টার বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি
ফসল কাটার পর Vutta chas poddhoti তে ভালো বীজ পরবর্তী মরশুমের জন্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।
- শুকানো: মোচা থেকে বীজ ছাড়ানোর পর রৌদে ভালোভাবে শুকিয়ে দানার আর্দ্রতা ১০%-১২% এর নিচে নিয়ে আসতে হবে।
- বাছাইকরণ: রোগাক্রান্ত, ভাঙা বা ছোট দানা আলাদা করে পুষ্ট দানা বাছাই করতে হবে।
- সংরক্ষণ পাত্র: এয়ারটাইট বা বায়ুরুদ্ধ ড্রাম, পলিব্যাগ বা প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা উত্তম।
- পোকা নিয়ন্ত্রণ: বীজের পাত্রে নিম পাতা বা বিষকাঠালীর পাতা শুকনো অবস্থায় মিশিয়ে রাখলে পোকার আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকে।
ভুট্টা চাষ সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসাবলী (FAQ)
প্রশ্ন ১: ভুট্টার বীজ তার কোন অংশে ভ্রূণের জন্য খাদ্য সঞ্চয় করে?
উত্তর: ভুট্টার বীজ তার শস্য বা এন্ডোস্পার্ম (Endosperm) অংশে ভ্রূণের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে।
প্রশ্ন ২: ভুট্টা চাষের জন্য কোন বীজটা ভালো?
উত্তর: অধিক ফলন ও লাভের জন্য সংকর (Hybrid) জাতের বীজ সবচেয়ে ভালো। যেমন— ৩০ভি ১২, যুবরাজ গোল্ড, পি ৩৩৫৫, জেকেসি-১০০ এম গোল্ড বা এন.কে-৩০। তবে নিজের রাখা বীজ দিয়ে কম খরচে চাষ করতে চাইলে যৌগিক (Composite) জাতের বীজ ভালো।
প্রশ্ন ৩: ভুট্টার বীজের দাম কত?
উত্তর: জাত ও কোম্পানির ওপর ভিত্তি করে ভুট্টার বীজের দামের তারতম্য হয়। সাধারণত ভালো মানের হাইব্রিড বা সংকর ভুট্টার বীজের দাম প্রতি কেজি ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। (যৌগিক বা সাধারণ জাতের বীজের দাম তুলনামূলক কম হয়)।
প্রশ্ন ৪: ভুট্টা চাষে কী কী সার দিতে হয়?
উত্তর: ভুট্টা চাষে জৈব সার (পচা গোবর বা কম্পোস্ট/ভার্মিকম্পোস্ট) এবং মূল রাসায়নিক সার হিসেবে ইউরিয়া, সিঙ্গেল সুপার ফসফেট (সি.সু.ফস), মিউরেট অফ পটাশ (MOP) ও সালফার ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া প্রয়োজনানুযায়ী অনুখাদ্য হিসেবে জিঙ্ক ও বোরন দিতে হয়।
প্রশ্ন ৫: ভুট্টা চাষে সারের পরিমাণ বিঘা প্রতি কত?
উত্তর: বিঘা প্রতি হাইব্রিড ভুট্টার জন্য প্রায় ৪-৫ ঠেলা গোবর সার, ৪৪ কেজি ইউরিয়া, ৬২.৫ কেজি সি.সু.ফস, ১৬.৫ কেজি পটাশ (MOP) এবং ২.৭ কেজি সালফার লাগে। (যৌগিক জাতের ক্ষেত্রে ইউরিয়া প্রায় ৪১ কেজি, সি.সু.ফস ৫৪.৮ কেজি ও পটাশ ১৫.৬ কেজি প্রয়োজন হয়)।
প্রশ্ন ৬: ভুট্টা চাষের সময়কাল কত দিন?
উত্তর: বীজ বপন থেকে শুরু করে ফসল তোলা পর্যন্ত জাত ও মরশুম ভেদে ভুট্টা চাষের মোট সময়কাল লাগে প্রায় ১২০ থেকে ১৪০ দিন (বা আনুমানিক ৪ থেকে সাড়ে ৪ মাস)।
প্রশ্ন ৭: ভুট্টা চাষ কোন মাসে হয়?
উত্তর: ভুট্টা মূলত দুটি মরশুমে চাষ করা যায়—
রবি মরশুম: কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ মাস (অক্টোবরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি)।
প্রাক-খরিফ মরশুম: মাঘ থেকে ফাল্গুন মাস (জানুয়ারির শেষ থেকে মার্চের মাঝামাঝি)।
তথ্য সুত্র
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষি বিভাগ ভুট্টা চাষ প্রসার প্রচার তথ্য।









![বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি: ১টি বস্তায় ৩ কেজি আদা পাওয়ার ৭টি গোপন কৌশল [২০২৬ আপডেট] বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি ও মাটি তৈরির সঠিক নিয়ম - ১টি বস্তায় ৩ কেজি ফলন](https://krishisutra.com/wp-content/uploads/2026/02/bostay-ada-chash-podhati-krishi-sutra-300x169.webp)
