
চাষবাসের একটি দারুণ ফ্যাক্ট (Fact): আপনি কি জানেন? রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বর্তমানে অনেক পোকার শরীরে ‘পেস্টিসাইড রেজিস্ট্যান্স’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে দামী বিষ দিলেও অনেক সময় বড় লেদা পোকা বা শুঁটি ছিদ্রকারী পোকা মরে না। এই সমস্যার একমাত্র সমাধান হলো ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-র পদ্ধতি। এটি এমন একটি শক্তিশালী জৈব নির্যাস যা বড় ধরণের ক্ষতিকারক পোকাদের বংশ নিপাত করতে সক্ষম।
আপনি যখন নিমাস্ত্র ব্যবহার করেও ভালো ফল পাচ্ছেন না বা পোকার প্রজাতিভেদে আক্রমণ খুব বেশি হচ্ছে, তখন আপনাকে এই শক্তিশালী ব্রহ্মাস্র ব্যবহার করতে হবে। এটি বাড়িতে তৈরি করা অত্যন্ত সহজ এবং সাশ্রয়ী। নিচে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ব্রহ্মাস্র তৈরির পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।
ক. ব্রহ্মাস্র তৈরির উপকরণ (Ingredients)
নিচে ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-র একটি আদর্শ রেশিও বলে দেওয়া হল , আপনারা আপনাদের জমির আয়তন অনুসারে এটি পরিবর্তন করে নেবেন:
- নিমপাতা: ৩ কেজি।
- আতা ফল পাতা: ২ কেজি।
- পেয়ারা পাতা: ২ কেজি।
- সাদা ধূতরা: ২ কেজি
- করঞ্জ পাতা: ২ কেজি
- দেশী গোমূত্র: ১০ লিটার।
- পাত্র: একটি ভালো মানের মাটির হাঁড়ি।
খ. ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি প্রণালী
ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-র সময় নিচের ধাপগুলো সতর্কতার সাথে অনুসরণ করুন:
- ১. প্রথমে সংগৃহীত সমস্ত পাতাগুলোকে (নিম, আতা, ডালিম ও পেয়ারা) ভালো করে থেঁতো করে নিতে হবে।
- ২. এবার একটি বড় মাটির হাঁড়িতে ১০ লিটার গোমূত্র ঢালুন এবং তাতে থেঁতো করা সমস্ত পাতাগুলো দিয়ে দিন।
- ৩. এরপর হাঁড়িটি উনুনে বসান। মিশ্রণটি কিছু সময় অন্তর অন্তর নাড়তে হবে এবং মোট ৫ বার টগবগিয়ে ফুটিয়ে নিন।
- ৪. ফোটানোর ফলে যখন দ্রবণের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে যাবে, তখন এটি নামিয়ে নিন।
- ৫. পাত্রের মুখটি একটি সুতির কাপড়ের টুকরো দিয়ে বেঁধে দিয়ে ২৪ ঘণ্টা ছায়াযুক্ত জায়গায় রেখে দিন।
- ৬. ২৪ ঘণ্টা পর মিশ্রণটিকে ভালো করে ছেঁকে নিয়ে ছিবড়েগুলো ফেলে দিন। এরপর তৈরি হওয়া গাঢ় লিকুইড বা ব্রহ্মাস্র বোতলে ভরে রাখুন। এটি আপনি পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন।
গ. ব্রহ্মাস্র ব্যবহারের নিয়ম (How to Use)
ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-র পরে মাঠে প্রয়োগের সময় সঠিক অনুপাত মাথায় রাখা জরুরি:
- প্রতি লিটার পরিষ্কার জলের সাথে ২৫ মিলি (বা ২৫ গ্রাম) ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি করে ঠান্ডা করে ভালো করে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
- খুব বেশি আক্রমণ থাকলে ১০-১২ দিন অন্তর এটি স্প্রে করা যেতে পারে।
আড়ও দেখুন জৈব কীটবিতারক(কীটনাশক) অগ্নিঅস্ত্র (Agniastra) কি? কিভাবে তৈরি করবেন ও ব্যবহার করবেন?
ব্রহ্মাস্রের বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব: এটি বায়োলজিক্যাল ভাবে কীভাবে কাজ করে?
ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি কেবল কতগুলো পাতার রস নয়, এটি চারটি ভিন্ন ভিন্ন ভেষজ বিষের একটি শক্তিশালী আণবিক সংমিশ্রণ। যখন এই মিশ্রণটি ৫ বার ফুটিয়ে অর্ধেক করা হয়, তখন এর প্রতিটি উপাদানের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে একটি বিধ্বংসী ‘বায়ো-পেস্টিসাইড’-এ পরিণত হয়:
১. আতা পাতার অ্যানোনিন (Annonin): আতা পাতায় থাকে ‘অ্যাসিটোজেনিন’ (Acetogenin) নামক বিশেষ যৌগ। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি পোকার কোষের ভেতরে থাকা মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria) বা শক্তির উৎসকে আক্রমণ করে। পোকার কোষ যখন শক্তি তৈরি করতে পারে না, তখন বড় বড় লেদা পোকা বা শুঁটি ছিদ্রকারী পোকাগুলো নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং প্যারালাইজড হয়ে যায়।
২. পেয়ারা পাতার ট্যানিন ও পলিফেনল (Tannins & Polyphenols): পেয়ারা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ট্যানিন থাকে। এটি পোকার শরীরে প্রবেশ করার পর তাদের পরিপাকতন্ত্রের প্রোটিনগুলোকে জমিয়ে দেয়। এর ফলে পোকা যা-ই খায়, তা আর হজম হয় না। পোকা অভুক্ত থেকে মারা যেতে বাধ্য হয়।
৩. নিমের আজাদিরাকটিন ও গোমূত্রের অ্যামোনিয়া: ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-তে যখন নিম ও গোমূত্র যোগ করা হয়, তখন এটি একটি ‘সিনার্জিস্টিক ইফেক্ট’ তৈরি করে। অর্থাৎ অন্য পাতার বিষগুলোকে এটি দ্রুত পোকার চামড়া ভেদ করে রক্তে (Hemolymph) মিশে যেতে সাহায্য করে। তীব্র অ্যামোনিয়া পোকার শ্বাসছিদ্র বা ট্রাকিয়া (Trachea) দিয়ে ভেতরে ঢুকে তাদের দমবন্ধ করে দেয়।
৪. সাদা ধুতরা (Datura metel): ধুতরা পাতায় উচ্চমাত্রায় ট্রপেন অ্যালকালয়েডস (Tropane Alkaloids) থাকে। ধুতরা গাছকে তার তীব্র বিষক্রিয়ার জন্য ‘প্রাকৃতিক বিষ’ বলা হয়। এর তীব্র গন্ধ প্রাপ্তবয়স্ক পোকাদের ডিম পাড়তে বাধা দেয়। এটি ব্রহ্মাস্ত্রের অন্যতম প্রধান উপাদান। ধুতরার অ্যালকালয়েডগুলো পোকামাকড়ের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এটি পোকামাকড়ের স্নায়বিক সংকেত আদান-প্রদান বন্ধ করেএই বিষ তাদের পরিপাকতন্ত্র নষ্ট করে দেয়, ফলে পোকা অবশ (Paralyzed) হয়ে পোকা খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং অনাহারে মারা যায়।
৫. করঞ্জ পাতা (Pongamia pinnata): করঞ্জ পাতায় প্রধানত করঞ্জিন (Karanjin) এবং পঙ্গামিন (Pongamin) নামক ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যালকালয়েড থাকে। করঞ্জ বা পঙ্গামিয়া জৈব চাষে নিমের মতোই শক্তিশালী একটি উপাদান। করঞ্জ পাতার তেতো স্বাদের কারণে পোকা সেই ফসলে মুখ দিতে চায় না। করঞ্জিন পোকামাকড়ের হরমোন সিস্টেমকে নষ্ট করে দেয়। এর ফলে লার্ভা বা বাচ্চা পোকাগুলো পিউপা বা পূর্ণাঙ্গ পোকায় রূপান্তরিত হতে পারে না। করঞ্জের উপাদানগুলো শুধুমাত্র পোকা মারে না, এটি পাতার ওপর একটি স্তর তৈরি করে যা ছত্রাকের আক্রমণ (যেমন: পাউডারি মিলডিউ) প্রতিরোধ করে।
প্রশিক্ষকের প্রাকটিক্যাল তথ্য: ফোটানোর মূল রহস্য হলো এই যে, তাপে পাতার ভেতরে থাকা এই জটিল বিষাক্ত যৌগগুলো ভেঙে গিয়ে তরলের সাথে মিশে যায়, যা ঠান্ডা পদ্ধতিতে সম্ভব নয়। এই কারণেই ব্রহ্মাস্র নিমাস্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র এবং কার্যকরী।
চাষের তথ্যে আমার এক্সপার্ট মতামত
পাতা নির্বাচন: রোগাক্রান্ত বা পোকা লাগা পাতা ব্যবহার করা ভুল পদ্ধতি, ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-র জন্য সবসময় সতেজ ও সবুজ পাতা ব্যবহার করা সঠিক যাতে উপাদানের ঘনত্ব ঠিক থাকে।
ফোটানোর পদ্ধতি: দ্রবণ অর্ধেক না হতেই নামিয়ে নেওয়া যাবে না, এটি ৫ বার ফুটিয়ে যখন অর্ধেক হবে তখনই এটি কনসেন্ট্রেটেড বা শক্তিশালী হবে তাই দ্রুত নামিয়ে নিলে এর কার্যকারিতা কমে যাবে।
পাত্র সতর্কতা: ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি-তে ফোটানোর সময় প্লাস্টিক বালতি ব্যবহার করা যাবে না, প্লাস্টিক গলে বিষাক্ত রাসায়নিক মিশে যেতে পারে তাই সবসময় মাটির হাঁড়ি বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা সঠিক।
ব্যবহারের ঘনত্ব : গাছে পোকা নেই তবুও কড়া ডোজে ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি করে দেওয়া ভুল পদ্ধতি, ব্রহ্মাস্র একটি শক্তিশালী ঔষধ। আক্রমণ না থাকলে বা নিমাস্ত্রে, অগ্নিঅস্ত্রে কাজ হলে এটি দেওয়ার প্রয়োজন নেই; অপ্রয়োজনে কড়া স্প্রে করলে গাছের কচি ডগার গ্রোথ সাময়িকভাবে থমকে যেতে পারে।
ফোটানোর নিয়ম: অতিরিক্ত তাপে ঢাকনা ছাড়া খুব দ্রুত ফোটানো ভুল পদ্ধতি, এতে বাষ্পের সাথে অনেক কার্যকরী তেল উড়ে যেতে পারে তাই সবসময় হালকা আঁচে ধীরে ধীরে ৫ বার ফুটিয়ে অর্ধেক করা সঠিক যাতে নির্যাসগুলো অক্ষুণ্ণ থাকে।
ব্যবহারের সঠিক সময়: ছোট চারায় বা সবে বের হওয়া কচি ডগায় সরাসরি ব্রহ্মাস্র স্প্রে করা ভুল পদ্ধতি, এটি খুব শক্তিশালী নির্যাস হওয়ায় কচি কোষকলা পুড়ে যেতে পারে; চারার বয়স অন্তত ২১-২৫ দিন হলে তবেই এটি স্প্রে করা নিরাপদ। তৈরির সাথে সাথেই খুব কড়া রোদে স্প্রে করা উচিত নয়, যেহেতু ধুতরা একটি তীব্র বিষ, তাই এটি সবসময় বিকেলে স্প্রে করা সঠিক এবং ২-৩% ঘনত্বের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়, নতুবা কচি পাতার প্রান্ত পুড়ে যেতে পারে।
কেন ব্রহ্মাস্র নিমাস্ত্রের চেয়ে আলাদা?
যেখানে নিমাস্ত্র মূলত পোকা তাড়াতে বা রিপেলেন্ট হিসেবে কাজ করে, সেখানে ব্রহ্মাস্র বড় লেদা পোকা বা ছিদ্রকারী পোকাদের সরাসরি নিষ্ক্রিয় করে দেয়। অনেক সময় দেখা যায় পোকার গায়ের চামড়া খুব শক্ত হয়, ফলে সাধারণ ওষুধ কাজ করে না। ব্রহ্মাস্রের উচ্চমাত্রার অ্যালকালয়েড ও ট্যানিন সেই শক্ত চামড়া ভেদ করে কাজ করতে সক্ষম।
জৈব পদ্ধতিতে পোকা দমনের আরও একটি শক্তিশালী মাধ্যম নিমাস্ত্র সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন।
২. ব্রহ্মাস্রের লাভ ও খরচের খতিয়ান
ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি করে ব্যবহার করা হয় যখন আক্রমণ বেশি থাকে এবং বড় পোকা দমনের প্রয়োজন হয়। রাসায়নিকের সাথে এর তুলনামূলক হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
| বিষয় | রাসায়নিক কীটনাশক (১ বিঘা ফসলে বড় পোকার জন্য) | জৈব ব্রহ্মাস্র (১ বিঘা ফসলে বড় পোকার জন্য) |
|---|---|---|
| প্রতি স্প্রে খরচ | ৫০০ – ৮০০ টাকা | ১০ – ১৫ টাকা (জ্বালানি ও উপকরণ) |
| কার্যকারিতা | পোকার মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে | চার ধরণের পাতার মিশ্রণ হওয়ায় পোকা পালাবার পথ পায় না |
| পরিবেশগত লাভ | স্প্রেকারীর শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি থাকে | কোনো প্রকার স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই |
| আর্থিক মুনাফা | রাসায়নিক কেনায় লাভের বড় অংশ ব্যয় হয় | খরচে সাশ্রয় হওয়া টাকাটাই কৃষকের বাড়তি লাভ |
উপসংহার
আপনার খামারকে বিষমুক্ত রাখতে এবং বড় পোকাদের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি হতে পারে আপনার তুরুপের তাস। এটি ব্যবহারের ফলে আপনার রাসায়নিকের খরচ কমবে এবং ফসলের পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে। সুস্থ সমৃদ্ধ কৃষকই পারে সমাজকে সুস্থ রাখতে।
সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন (FAQ – ব্রহ্মাস্ত্র)
১. ব্রহ্মাস্ত্র কীটনাশক তৈরির সঠিক পদ্ধতি কী?
উত্তর: ১০ লিটার গোমূত্রের সাথে ৩ কেজি নিম পাতা এবং আরও অন্তত ৪-৫ ধরণের তেতো বা কষায় যুক্ত গাছের পাতা (যেমন- আতা, আমড়া, করঞ্জ বা বেল) ফুটিয়ে ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি করা হয়। মিশ্রণটি ৫ বার ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিয়ে ২৪ ঘণ্টা ঠান্ডা করার পর এটি ব্যবহারের উপযোগী হয়।
২. ব্রহ্মাস্ত্র এবং নিমাস্ত্রের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: নিমাস্ত্র প্রধানত শোষক পোকা ও ছোট কীটের জন্য কাজ করে যা ফোটানোর প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, ব্রহ্মাস্ত্র একটি শক্তিশালী ‘ব্রড স্পেকট্রাম’ কীটনাশক যা বড় লেদা পোকা বা ফলের ছিদ্রকারী পোকা দমনে ব্যবহার করা হয় এবং এটি ফুটিয়ে তৈরি করতে হয়।
৩. ব্রহ্মাস্ত্র কতদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়?
উত্তর: সঠিকভাবে ব্রহ্মাস্র (Brahmastra) তৈরি করে কাঁচের বা প্লাস্টিকের পাত্রে ভরে ছায়াযুক্ত স্থানে ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়। এটি যত পুরনো হয়, এর কার্যকারিতা তত বৃদ্ধি পায়।
৪. ব্রহ্মাস্ত্র ব্যবহারের ডোজ বা প্রয়োগ পদ্ধতি কী?
উত্তর: সাধারণত ১০০ লিটার জলের সাথে ২-৩ লিটার ব্রহ্মাস্ত্র মিশিয়ে এক একর জমিতে স্প্রে করা হয়। পোকামাকড়ের উপদ্রব বেশি হলে এর ঘনত্ব কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে।
৫. এটি কোন কোন ফসলের পোকা দমনে সবথেকে কার্যকর?
উত্তর: ধান, বেগুন, টমেটো, লঙ্কা এবং বিভিন্ন ফল জাতীয় ফসলের মাজরা পোকা ও লেদা পোকা দমনে ব্রহ্মাস্ত্র অত্যন্ত শক্তিশালী ও অব্যর্থ।
তথ্যসূত্র ও গবেষণাপত্র
আমাদের এই কন্টেন্টটি তৈরির সময় তথ্যের নির্ভুলতা বজায় রাখতে নিচের সরকারি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসমূহ অনুসরণ করা হয়েছে:
- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যান্ট হেলথ ম্যানেজমেন্ট (NIPHM): উদ্ভিদের ভেষজ গুণাগুণ এবং জৈব কীটনাশকের বায়ো-কেমিক্যাল বিশ্লেষণ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য আমরা NIPHM-এর গবেষণা পত্রগুলো অনুসরণ করেছি। বিস্তারিত দেখুন: NIPHM Official Research Portal
- ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ (ICAR): প্রাকৃতিক চাষের মাঠ পর্যায়ের ট্রায়াল এবং সফলতার পরিসংখ্যানের জন্য ICAR-এর সরকারি বুলেটিনগুলো উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: ICAR Government of India
- তামিলনাড়ু এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি (TNAU) এগ্রি-টেক পোর্টাল: ভেষজ পাতার নির্যাস (যেমন: ব্রহ্মাস্ত্র ) তৈরির বৈজ্ঞানিক অনুপাত এবং পোকা দমনের কার্যকারিতা যাচাইয়ে TNAU-এর কৃষি তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করা হয়েছে। রিসোর্স লিংক: TNAU Organic Farming Guidelines
- সুভাষ পালেকর ন্যাচারাল ফার্মিং (SPNF): ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির ঐতিহ্যবাহী এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতিটি ড. সুভাষ পালেকর প্রবর্তিত ‘শূন্য ব্যয়ে প্রাকৃতিক কৃষি’ মডেল থেকে সংগৃহীত।










