
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিষমুক্ত খাবারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের জন্য জৈব কৃষি শংসাপত্র অর্জন করা একটি লাভজনক সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জৈব পদ্ধতিতে উৎপন্ন পণ্যের গুণমান ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে উৎপাদকরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও রূপায়ণ করে চলেছেন। এটি মূলত একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। কোনো কৃষক যখন জৈব কৃষি শংসাপত্র পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সার্টিফিকেশন এজেন্সির কাছে আবেদন করেন, তখন ওই এজেন্সি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আবেদনকারীর ক্ষেত পরীক্ষা করেন।
বিশেষজ্ঞরা জৈব ফসল ক্ষেতের ব্যবহৃত বীজ, সেচের জল, মাটি এবং জৈব সার বা জৈব পদার্থ প্রভৃতি উপকরণ সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করে দেখেন। পরীক্ষা করার পর তারা কৃষককে একটি কর্মপরিকল্পনা বা পরামর্শ দেন। এইভাবে ধারাবাহিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সাধারণত তৃতীয় বছরে বা তারও পরে কৃষকের উৎপন্ন ফসলকে প্রকৃত জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রদান করা হয়।
থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশন বনাম পিজিএস পদ্ধতি
ভারতে মূলত দুই ধরনের প্রক্রিয়ায় জৈব কৃষি শংসাপত্র দেওয়া হয়। একটি হলো ‘থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশন’ (Third Party Certification)। ভারতে বর্তমানে ২৪টি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এই পদ্ধতিতে সার্টিফিকেশন প্রদান করে থাকে। তবে এই সিস্টেমটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং প্রচুর নথিপত্র সম্বলিত। ফলে ভারতের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের সাধারণ জৈব চাষ পদ্ধতি থেকে এই শংসাপত্র অর্জনে আকৃষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এর বিকল্প হিসেবে ভারত সরকার পি জি এস (PGS – Participatory Guarantee System) সার্টিফিকেশন পদ্ধতি চালু করেছে। এটি একটি গ্রুপ বা ক্লাস্টার ভিত্তিক পদ্ধতি, যা মূলত ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তার জন্য ‘পিকেভিওয়াই’ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
পি.কে.ভি.ওয়াই (PKVY) বা পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা
পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা সংক্ষেপে হল পিকেভিওয়াই (PKVY)। জাতীয় সুস্থায়ী কৃষি মিশন (NMSA) এর অধীনে ২০১৫-১৬ সালে নতুন এই প্রকল্পটি চালু হয়েছে। মূলত জৈব চাষের সহায়তা প্রদান করার উদ্যোগ এই প্রকল্পে গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের কাঠামো ও অনুদান
কোনো স্থানের কৃষকদের জোড়বদ্ধ করে ৫০ একরের এক একটি কৃষক গোষ্ঠী বা গুচ্ছ (Cluster) গঠন করে জৈব চাষে উৎসাহ প্রদান করা হয়। বিভিন্ন কৃষক গোষ্ঠী পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে জৈব ফসল ক্ষেত পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করে উৎপন্ন পণ্য শংসিতকরণ করবেন। শংসিত জৈব পণ্য বাজারজাত করণের ব্যবস্থা থাকবে। পিকেভিওয়াই প্রকল্পে কৃষকগোষ্ঠীকে একর প্রতি ২০,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান প্রথম তিন বছরে দেওয়া হবে।
পশ্চিমবঙ্গে ২০১৬-১৭ সালে ১২০টি কৃষক গোষ্ঠীর মাধ্যমে প্রায় ৬০০০ একর জমিতে পিকেভিওয়াই প্রকল্পে জৈব চাষে উৎসাহ প্রদানের কাজ চলছে। ভারতে আগামী কয়েক বছরে ১০,০০০ কৃষক গোষ্ঠী গঠনের মাধ্যমে ৫০,০০০ জমিতে জৈব চাষ চালু করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।
পি কে ভি ওয়াই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যসমূহ
এই প্রকল্পের প্রধান চারটি লক্ষ্য রয়েছে যা জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রাপ্তিকে সহজতর করে:
- ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জৈব চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি ও জৈব ফসল চাষ এলাকা বৃদ্ধি।
- ব্যয় বহুল থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশনের বিকল্প হিসাবে পিজিএস সার্টিফিকেশন পদ্ধতিতে জৈব ফসলের ক্লাস্টার ভিত্তি প্রদান।
- কৃষিতে রাসায়নিক সার ও পেস্টিসাইডের ব্যবহার বন্ধ করে স্থানীয় জৈব উপকরণ (জীবাণুসার, জৈব কীটনাশক) প্রয়োগ বৃদ্ধি।
- জৈব পণ্যের স্থানীয় বাজার তৈরি এবং সেই বাজারে নিয়মিত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।
পি.জি.এস (PGS) সার্টিফিকেশন কি?
ভারতে জৈব চাষ এলাকা বৃদ্ধি এবং জৈব পণ্য শংসিতকরণ পদ্ধতি সরলীকরণের উদ্দেশ্যে পি জি এস সার্টিফিকেশন শুরু হয়েছে। ২০০০ সালে চালু হওয়া ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর অরগানিক প্রোডাকশন (NPOP) প্রকল্পের পাশাপাশি ২০১৫-১৬ সালে ভারত সরকার পিজিএস সার্টিফিকেশন পদ্ধতিতে জৈব পণ্যের গ্রুপ শংসিতকরণের ব্যবস্থা করেছে।
পি জি এস অর্থাৎ পার্টিসিপেটরি গ্যারান্টি সিস্টেমের মাধ্যমে কৃষকেরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে (Peer appraisal) ফসল পরিদর্শন করেন। উৎপন্ন জৈব পণ্য NABL স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে দুইটি লোগো ব্যবহৃত হয়:
পিজিএস গ্রীণ (PGS-India Green): রূপান্তরিত পদ্ধতির মধ্যে থাকলে (দ্বিতীয় বর্ষে)।
পিজিএস অর্গানিক (PGS-India Organic): সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চাষ হলে (তৃতীয় বর্ষ থেকে)।
পি কে ভি ওয়াই প্রকল্প রূপায়ণের কার্যকরী ধাপসমূহ
- জৈব চাষের কৃষক গোষ্ঠী গঠন ও রিজিওনাল কাউন্সিল (RC) নথীভুক্তকরণ।
- কৃষক গোষ্ঠীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষামূলক পরিদর্শন।
- মুখ্য গোষ্ঠী সঞ্চালক কৃষক (LRP – Led Resourceful Person) সনাক্তকরণ।
- জৈব গ্রাম স্থাপন ও মাটি পরীক্ষা।
- কৃষকদের পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সফল জৈব চাষ এলাকা পরিদর্শন ও মূল্যায়ন।
- গুণমান পরীক্ষার জন্য NABL স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পাঠানো।
- অনলাইনে পিজিএস শংসিকরণ ও লোগো প্রদান।
২০২৬ সালের বিশেষ আপডেট: ডিজিটাল পোর্টাল ও মোবাইল অ্যাপ
বর্তমান সময়ে জৈব কৃষিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ভারত সরকার ‘জৈবিক ভারত’ অনলাইন পোর্টালকে উন্নত করেছে। এখন কৃষকরা সরাসরি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাদের ল্যাব রিপোর্ট এবং ক্রপ ডায়েরি আপলোড করতে পারেন। এছাড়া এখন QR Code যুক্ত জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রদান করা হচ্ছে, যা স্ক্যান করলে গ্রাহকরা সরাসরি কৃষকের নাম ও জমির অবস্থান জানতে পারছেন। এতে স্বচ্ছতা অনেক বেড়েছে।
জৈব চাষের বিশেষ কর্তব্য ও কৃষি উপকরণ
সঠিকভাবে জৈব কৃষি শংসাপত্র বজায় রাখতে হলে নিচের নিয়মগুলো মানা আবশ্যক:
পরিখা (Trench): প্রথম বছর ৫০ একর ক্লাস্টারের চারপাশ ঘিরে পরিখা খনন।
সীমানা গাছ: সীমানা বরাবর ধৈইঞ্চা, অড়হর, সুবাবুল বা গ্লাইরিসিউয়া গাছ লাগানো।
জৈব উপকরণ: পঞ্চগব্য, জীবামৃত এবং আগ্নেয়াস্ত্র-এর ব্যবহার।
কীটনাশক: নিম, আকন্দ, আতা, নিশিন্দা, করঞ্চা, ঢোলকলমী বা পেয়ারা পাতার রস ব্যবহার।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: কৃষি বর্জ্যের পুনঃব্যবহার এবং গবাদি পশুর মলমূত্র থেকে সার তৈরি।
২০২৬ সালের নতুন আপডেট: জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশন (NMNF)
বর্তমানে ভারত সরকার জৈব চাষের পাশাপাশি প্রাকৃতিক কৃষি মিশন (National Mission on Natural Farming) এর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। আমি মনে করি PKVY প্রকল্পের পাশাপাশি সরকারের নতুন প্রাকৃতিক কৃষি মিশন (উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়, ভারত সরকার) কৃষকদের জন্যে নতুন দিশা দেখাবে । ২০২৪-২৫ এবং ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে এই মিশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর জন্যে সরকার ২৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। যারা জৈব কৃষি শংসাপত্র পেতে চাইছেন, তাদের জন্য এই মিশনটি একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
কৃষি সূত্র পরামর্শ: কৃষকের উচিত বর্তমান সময়ে চাষের খরচ কমিয়ে লাভ দ্বিগুণ করার জন্য প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করা। এর মাধ্যমে গ্রাহকের বিষমুক্ত খাদ্যের চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি কৃষিতে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করে সঠিক বাস্তুতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সরকারও বর্তমানে কৃষকদের এই পরিবেশবান্ধব ও লাভজনক চাষে উৎসাহিত করতে সবরকম সহযোগিতা প্রদান করছে।
প্রাকৃতিক কৃষি মিশনের মূল বৈশিষ্ট্য
১০,০০০ বায়ো-ইনপুট রিসোর্স সেন্টার (BRC): সরকার দেশজুড়ে ১০,০০০ বায়ো-ইনপুট সেন্টার তৈরি করছে। এখান থেকে কৃষকরা জীবামৃত, পঞ্চগব্য এবং নিমের তৈরি প্রাকৃতিক কীটনাশক সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন। এর ফলে জৈব কৃষি শংসাপত্র বজায় রাখার খরচ অনেক কমে যাবে।
১ কোটি কৃষককে প্রশিক্ষণ: আগামী ২ বছরে ১ কোটি কৃষককে প্রাকৃতিক চাষের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
কিষাণ ড্রোন ও ডিজিটাল ক্রপ সার্ভে: জমির সঠিক তথ্য এবং জৈব মান বজায় থাকছে কি না তা তদারকি করতে বর্তমানে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রদান প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করেছে।
পিএম-প্রণাম (PM-PRANAM) যোজনা ও জৈব কৃষি
২০২৬ সালের একটি বড় আপডেট হলো PM-PRANAM যোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে সমস্ত রাজ্য রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব বা প্রাকৃতিক চাষ বাড়াবে, সরকার সেই রাজ্যকে বিশেষ ভর্তুকি প্রদান করবে। এটি পরোক্ষভাবে কৃষকদের দ্রুত জৈব কৃষি শংসাপত্র পেতে এবং উৎপাদিত পণ্যের সঠিক বাজারমূল্য পেতে বড় ভূমিকা রাখছে।
আন্তর্জাতিক জৈব কৃষি নির্ধারণ সংস্থা (IFOAM, APEDA, ও অন্যান্য)
বিশ্বব্যাপী জৈব মানদণ্ড নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু সংস্থা কাজ করে:
- IFOAM: ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত, জার্মানি ভিত্তিক জৈব কৃষি সংস্থাগুলির কেন্দ্রীয় বা ‘Umbrella’ সংস্থা।
- CODEX: FAO এবং WHO’র যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- APEDA: এটি ভারতে জৈব কৃষির প্রামাণ্য নির্ধারণে সাহায্য করে এবং কোডেক্স এর নিয়ম মেনে চলে। এটি রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রাখে।
- অন্যান্য: ইউরোপের জন্য EU Regulation, বায়োডায়নামিক চাষের জন্য Demeter, এবং জাপানি মানদণ্ডের জন্য JAS।
প্রকল্পের সম্ভাব্য ফলশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ
পিকেভিওয়াই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে গ্রামীণ ও শহর এলাকায় প্রায় ৩০ শতাংশ কর্মসংস্থান তৈরি হবে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ হওয়ার ফলে মাটির স্বাস্থ্য উন্নত হবে এবং জৈব কার্বন বৃদ্ধির ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে। সর্বোপরি, ৫-১০ লক্ষ কৃষক আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে সরাসরি লাভবান হবেন।
উপসংহার
পরিশেষে এটাই বলা যায়, জৈব বা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসল ও পণ্য গ্রাহকের কাছে সঠিক মূল্যে পৌঁছে দিতে জৈব কৃষি শংসাপত্র অর্জন করা বর্তমানে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। এই শংসাপত্র গ্রাহককে নিশ্চিত করে যে তারা তাদের চাহিদা মতো গুণগত পণ্যটিই হাতের কাছে পাচ্ছেন। কৃষকদের এই কাজে সহযোগিতা করার জন্য সরকার জৈব কৃষি শংসাপত্র প্রদান ব্যবস্থা এখন অনেক সহজ করেছে। তাই কৃষকদের উচিত নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদনের ভিত্তিতে সরকারের এই বিশেষ সুবিধাগুলি গ্রহণ করা।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন. জৈব কৃষি শংসাপত্র পেতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তর: সাধারণত কোনো জমিকে সম্পূর্ণ জৈব হিসেবে শংসিত করতে ৩ বছর সময় লাগে। প্রথম ২ বছরকে ‘রূপান্তরকালীন সময়’ বলা হয়, যে সময়ে কৃষক ‘পিজিএস গ্রীণ’ লোগো পান। তৃতীয় বছর থেকে সফলভাবে নিয়ম মানলে চূড়ান্ত জৈব কৃষি শংসাপত্র বা ‘অর্গানিক লোগো’ প্রদান করা হয়।
প্রশ্ন. ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য কোন সার্টিফিকেশন পদ্ধতিটি সবথেকে সাশ্রয়ী?
উত্তর: ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য পিজিএস (PGS – Participatory Guarantee System) পদ্ধতিটি সবথেকে সাশ্রয়ী। এটি ক্লাস্টার বা গ্রুপ ভিত্তিক হওয়ায় থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশনের তুলনায় খরচ অনেক কম এবং পিকেভিওয়াই (PKVY) প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা এতে সরকারি আর্থিক সহায়তাও পান।
প্রশ্ন. প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতি কি জৈব চাষের খরচ কমাতে সাহায্য করে?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতি মূলত স্থানীয় ও খামারের নিজস্ব উপকরণ (যেমন- জীবামৃত, পঞ্চগব্য) ব্যবহারের ওপর জোর দেয়। এতে বাজার থেকে রাসায়নিক সার বা দামী কীটনাশক কেনার প্রয়োজন হয় না, ফলে চাষের খরচ কয়েক গুণ কমে যায় এবং মাটির প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র বজায় থাকে।
তথ্য সুত্র
- ১. ন্যাশনাল সেন্টার অফ অর্গানিক অ্যান্ড ন্যাচারাল ফার্মিং (NCONF),(ভারতের জৈব চাষ ও পিজিএস সার্টিফিকেশন সংক্রান্ত তথ্যের প্রধান উৎস)।
- পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা (PKVY) পোর্টাল ।
- জৈবিক ভারত (Jaivik Bharat), (জৈব খাদ্যের মান ও লোগো সংক্রান্ত তথ্য)।
- জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশন (NMNF)










