
দেশজুড়ে মৎস্য চাষী ও মৎস্যজীবীদের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেসের আওতায় এনে সরাসরি সরকারি সুবিধা দিতে কেন্দ্রীয় মৎস্য দপ্তর NFDP (National Fisheries Digital Platform) পোর্টাল চালু করেছে। বর্তমানে সমস্ত মৎস্যজীবী ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের জন্য এই পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে সঠিক মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন পদ্ধতি এবং মৎস্যজীবী কার্ড ডাউনলোড এর খুঁটিনাটি তথ্য সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
(MJCC) মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড কি
এই কার্ডটি হলো কেন্দ্রীয় সরকারের PM-MKSSY (প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কিষাণ সমৃদ্ধি সহ-যোজনা) প্রকল্পের অধীনে মৎস্যজীবীদের দেওয়া একটি ডিজিটাল কাজের পরিচয়পত্র (Work-based Digital Identity)। অন্যদিকে, রাজ্য স্তরে স্বল্প সুদে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের জন্য MJCC (Matsya Jeebi Credit Card) বা মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় এই ডিজিটাল আইডিটি মৎস্য দপ্তরের সমস্ত প্রকল্প ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে যুক্ত থাকে। তাই মৎস্যজীবি কার্ড রেজিস্ট্রেশন এখন আবশ্যক।
আরও জানতে – প্রধানমন্ত্রী মৎস সম্পদ যোজনা (PMMSY) অনলাইন আবেদন করে 15 লক্ষ টাকা সাবসিডি সুবিধা নিতে এখানে ক্লিক করুন।
মৎস্যজীবী কার্ড এর উদ্দেশ্য
সরাসরি অনুদান (DBT): PMMSY যোজনা আবেদন, মৎস্য চাষের সরঞ্জাম, জাল-নৌকা বা পরিকাঠামো উন্নয়নের সরকারি অনুদান সরাসরি মৎস্যজীবীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো।
ঋণ ও বিমা সুবিধা: অত্যন্ত কম সুদে ব্যাংক থেকে লোন বা ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা এবং কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী বিমা যোজনার সুবিধা নিশ্চিত করা।
ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার: দেশের সমস্ত প্রকৃত মৎস্যজীবীদের একটি সঠিক তালিকা তৈরি করা, যাতে দুর্যোগের সময়ে দ্রুত সরকারি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যায়।
মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা
মৎস্যজীবি কার্ড রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর সাধারণ মানুষ কী কী লাভ পাবেন:
- ডিজিটাল পরিচয়পত্র: সফলভাবে মৎস্যজীবি কার্ড রেজিস্ট্রেশন হলে, খুব সহজেই একটি ডিজিটাল বা রাষ্ট্রীয় পরিচয়পত্র (Digital ID) পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা যায়।
- সরকারি অনুদান ও লোন: এই পোর্টালে নাম নথিভুক্ত থাকলে পিএম-মৎস্য কিষাণ সমৃদ্ধি সহ-যোজনার (PM-MKSSY) মতো বিভিন্ন সরকারি স্কিম, ভর্তুকি এবং ভবিষ্যতে মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডের (MJCC) মাধ্যমে সহজ শর্তে ব্যাংক লোন পাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার হয়।
মৎসজীবী কার্ড কারা করতে পারবেন (যোগ্যতা)
মৎস্য সেক্টরের সাথে যুক্ত নিম্নলিখিত সমস্ত ব্যক্তিরা এই আবেদন করতে পারবেন:
- প্রথাগত বা আধুনিক পদ্ধতির স্ব-উদ্যোগী মৎস্য চাষী।
- নদী, নালা বা জলাশয় থেকে মাছ ধরা মৎস্যজীবী।
- পাইকারি ও খুচরো বাজারের মাছ বিক্রেতা বা ভ্রাম্যমাণ মাছ ব্যবসায়ী।
- মাছের পোনা উৎপাদনকারী, জালের কারিগর বা নৌকা তৈরির সাথে যুক্ত কর্মী।
- মৎস্য উৎপাদনকারী গোষ্ঠী (PFGs) বা কো-অপারেটিভ সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।
আরো দেখুন মোবাইলে কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করতে এখানে ক্লিক করুন।
মৎস্যজীবী কার্ড করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে
অনলাইন আবেদনের আগে নিম্নলিখিত মৎস জীবি কার্ড ডকুমেন্টগুলো হাতের কাছে রেডি রাখুন:
- ১. আধার কার্ড: ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশনের জন্য আধারের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক।
- ২. ভোটার কার্ড: পরিচয়ের অতিরিক্ত প্রমাণপত্র হিসেবে।
- ৩. ব্যাংক পাসবই: আইএফএসসি (IFSC) কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর স্পষ্ট থাকা প্রথম পাতার কপি।
- ৪. জলাশয়ের নথি: নিজস্ব বা লিজ নেওয়া পুকুর/জলাশয়ের পর্চা বা লিজের চুক্তিপত্র।
- ৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: আবেদনকারীর সাম্প্রতিক রঙিন ছবি।
- ৬. শংসাপত্র: স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান/সদস্য বা পুরসভার কাউন্সিলর দ্বারা প্রদত্ত মৎস্যজীবী হওয়ার সার্টিফিকেট।
মৎস্যজীবী কার্ড কিভাবে আবেদন করবেন
এই কার্ডের জন্য মূলত দুটি ডিজিটাল উপায়ে মৎস্যজীবী কার্ড অনলাইন আবেদন করা সম্ভব। নিচে পোর্টাল এবং অ্যাপের মাধ্যমে আবেদনের পদ্ধতি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
পদ্ধতি ১: মৎস্যজীবী কার্ড অনলাইন আবেদন পদ্ধতি (Web Portal)
- ধাপ ১: প্রথমে কম্পিউটার বা মোবাইল ব্রাউজার থেকে কেন্দ্রীয় মৎস্য দপ্তরের অফিশিয়াল পোর্টাল nfdp.dof.gov.in-এ প্রবেশ করুন।
- ধাপ ২: হোমপেজে থাকা “New User Registration অপশনে ক্লিক করুন। আপনি যদি ব্যক্তিগত রেজিস্ট্রেশন করতে চান তবে apply as on individual এ ক্লিক করুন এবং যদি দলগত বা সংগঠন থেকে করতে চান তবে Apply as on organization এ ক্লিক করে প্রবেশ করুন।
- ধাপ ৩: আপনার সচল মোবাইল নম্বরটি ইনপুট করে “Generate OTP”-তে ক্লিক করুন এবং মোবাইলে আসা ওটিপি দিয়ে নম্বরটি ভেরিফাই করুন।
- ধাপ ৪: এবার আপনার ১২ অঙ্কের আধার নম্বরটি টাইপ করুন। আধারের সাথে যুক্ত মোবাইলে আরও একটি ওটিপি আসবে, সেটি দিয়ে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। আধার ভেরিফাই হওয়া মাত্রই আপনার নাম, ছবি ও ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে চলে আসবে।
- ধাপ ৫: এরপর আপনার কাজের ধরন (যেমন: Fisherman, Fish Vendor বা Farmer), ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঠিক তথ্য এবং চাষের জলাশয়ের সাধারণ বিবরণ নিখুঁতভাবে পূরণ করুন।
- ধাপ ৬: সমস্ত তথ্য পুনরায় মিলিয়ে নিয়ে ফর্মটি ফাইনাল সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর স্ক্রিনে একটি Application Acknowledgement Number বা রেজিস্ট্রেশন আইডি আসবে, সেটি প্রিন্ট বা স্ক্রিনশট নিয়ে যত্ন করে রেখে দিন।
আরও দেখুন কৃষক পরিবারের অন্নপূর্ণা দিদিরা ভাণ্ডার স্ট্যাটাস চেক সহজে করতে এখানে ক্লিক করুন।
পদ্ধতি ২: মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে (NFDP Mobile App)
- ধাপ ১: আপনার স্মার্টফোনের গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) থেকে অফিসিয়াল “NFDP” অ্যাপটি ইনস্টল করুন।
- ধাপ ২: অ্যাপটি ওপেন করে নিজের সুবিধাজনক ভাষা নির্বাচন করুন এবং “Register As Individual” অপশনে যান।
- ধাপ ৩: আপনার মোবাইল নম্বর ও ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে প্রাথমিক প্রোফাইল বা সাইন-আপ সম্পন্ন করুন।
- ধাপ ৪: এরপর মোবাইল ক্যামেরার পারমিশন দিয়ে আধার ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি (e-KYC) প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করুন।
- ধাপ ৫: অ্যাপের নির্দিষ্ট কলামগুলোতে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বার্ষিক আয়, মাছ চাষ বা ব্যবসার ধরন এবং ব্যাংকের সমস্ত বিবরণ টাইপ করুন।7
- ধাপ ৬: প্রয়োজনীয় নথিপত্রগুলোর পরিষ্কার ছবি তুলে অ্যাপে আপলোড করুন এবং ফর্মটি সাবমিট করে দিন। অ্যাপের মাধ্যমেই আপনি আপনার প্রাপ্তিস্বীকার রসিদটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
অফলাইন আবেদন বা হার্ড কপি মৎস অফিসে জমা
যারা নিজেরা অনলাইনে বা অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন না, তারা সমস্ত প্রয়োজনীয় মৎস্যজীবী কার্ড ডকুমেন্ট (আধার, ভোটার কার্ড, ব্যাংক পাসবই ও পঞ্চায়েতের সার্টিফিকেট) নিয়ে নিকটবর্তী Common Service Center (CSC) বা তথ্যমিত্র কেন্দ্রে গিয়ে দ্রুত মৎসজীবী কার্ড রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিতে পারেন।
অনলাইন বা সিএসসি (CSC) থেকে আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রাপ্তিস্বীকার রসিদের (Acknowledgement Slip) সাথে সমস্ত কাগজপত্রের একসেট জেরক্স কপি সংযুক্ত করে আপনার ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিকের (FEO) অফিসে অথবা স্থানীয় ‘ জনকল্যাণ শিবিরে’ গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে। কারণ, আপনার জমা দেওয়া এই হার্ড কপি দেখেই মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকরা ব্যাক-এন্ডে আপনার অনলাইন আবেদনটি যাচাই করে অনুমোদন বা অ্যাপ্রুভ করবেন।
মৎস্যজীবী কার্ড স্ট্যাটাস চেক নিয়ে
আবেদন করার পর আপনার আইডি কার্ডটি জেনারেট হয়েছে কি না, তা জানার জন্য আপনাকে নিয়মিত মৎসজীবীকার্ড স্ট্যাটাস চেক করতে হবে। স্ট্যাটাস চেক করার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
- ১. পুনরায় nfdp.dof.gov.in পোর্টালে যান অথবা মোবাইলের NFDP অ্যাপটি ওপেন করুন।
- ২. আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং ওটিপি (OTP) দিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন (Login) করুন।
- ৩. ড্যাশবোর্ডে থাকা “Track Application Status” অপশনে ক্লিক করুন।
- ৪. আপনার আবেদন নম্বর (Application Number) বা আধার নম্বরটি ইনপুট করে সার্চ করুন।
- ৫. স্ক্রিনে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পাবেন। যদি স্ট্যাটাস “Approved” দেখায়, তবে আপনি সেখান থেকেই আপনার ডিজিটাল মৎস্যজীবী পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ডটি সরাসরি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। আর যদি কোনো কারণে বাতিল বা “Rejected” দেখায়, তবে তার কারণও সেখানে উল্লেখ থাকবে, যা সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করা যাবে।
সরাসরি আবেদন ও স্থিতি চেক এর জন্য টেবিল লিংকে ক্লিক করুন
| জানার ধারণ | সরাসরি পেজ লিংক। |
|---|---|
| ব্যাক্তিগত মৎস্যজীবী কার্ডের আবেদনের | এখানে ক্লিক করুন। |
| সাংগঠনিক মৎস্যজীবী কার্ড রেজিস্ট্রেশন | এখানে ক্লিক করুন। |
| ফিসারিজ প্রোফেশনাল রেজিস্ট্রেশন | এখানে ক্লিক করুন। |
| রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস চেক | এখানে ক্লিক করুন। |
| রেজিস্ট্রেশন নম্বর চেক | এখানে ক্লিক করুন। |
| মৎস্যজীবী রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ডাউনলোড | এখানে ক্লিক করুন। |
উপসংহার
সরকারি সুযোগ-সুবিধার স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এই ডিজিটাল পোর্টালের গুরুত্ব অপরিসীম। রাজ্য সরকারের পুরনো ফিশারম্যান আইডি বা এমজেসি (MJCC) কার্ড থাকা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সমস্ত সুবিধা এবং বিমার লাভ পাওয়ার জন্য বর্তমান মৎস্যজীবী কার্ড আবেদন পদ্ধতি অনুসরণ করে নাম নথিভুক্ত করা প্রতিটি মৎস্যজীবীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই দেরি না করে দ্রুত আপনার মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করুন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর(FAQ)
প্রশ্ন ১: মৎস্যজীবী কার্ড ডাউনলোড কীভাবে করব?
উত্তর: NFDP পোর্টাল বা অ্যাপে আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন। আবেদনটি ‘Approved’ হয়ে থাকলে ড্যাশবোর্ড থেকেই সরাসরি আপনার ডিজিটাল মৎস্যজীবী কার্ডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
প্রশ্ন ২: মৎস্যজীবী কার্ড করতে কত টাকা লাগে ?
উত্তর: কেন্দ্রীয় NFDP পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে মৎস্যজীবী কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (Free) করা যায়। তবে সিএসসি (CSC) বা তথ্যমিত্র কেন্দ্র থেকে করালে সামান্য সার্ভিস চার্জ লাগতে পারে।
প্রশ্ন ৩: মৎস্যজীবী কার্ডের টাকা কবে ঢুকবে?
উত্তর: এই কার্ডটি মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র। এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি কোনো মাসিক টাকা দেওয়া হয় না, তবে মৎস্য দপ্তরের যেকোনো সরকারি অনুদান, ভর্তুকি বা ঋণের টাকা সরাসরি এই কার্ডের সাথে লিঙ্কড থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।
আরও সরকারি সুবিধা ও মাছ সম্পর্কে পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন
- বাংলা যুব শক্তি ভরসা কার্ড আবেদন করবেন কখন কিভাবে?
- পশুপালন ঋণের 50 লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাবসিডি অনুদান পাবেন কিভাবে?
- বায়োফ্লক আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ।
- পাবদা মাছের আধুনিক চাষ করবেন কিভাবে?
- গলদা চিংড়ি মাছ চাষ এর সহজ পদ্ধতি গুলি কি?
- মাছ মোটা তাজাকরণ পদ্ধতিতে উৎপাদন 22 কুইন্টাল কিভাবে করবেন?
- দেশী মাগুর মাছ চাষ পদ্ধতিতে লাভ হবে দ্বিগুণ।
- বটম ক্লিন পদ্ধতিতে ঝামেলা বিহীন ট্যাংকে মাছ চাষ কৌশল।










