
মাশরুম চাষের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নত মানের বীজ বা স্পন (Mushroom Spawn)। প্রকৃতিতে হাজারো প্রজাতির মাশরুম থাকলেও সবগুলি খাওয়ার যোগ্য নয়। ১৯৩২ সালে পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি প্রথম মাশরুমের বাণিজ্যিক বীজ উদ্ভাবন করে এবং পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে স্টলারের হাত ধরে শস্যদানা থেকে মাশরুম স্পন তৈরি পদ্ধতির আধুনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বর্তমানে গুণগত মান বজায় রাখতে বৈজ্ঞানিক ল্যাবরেটরিতে এই স্পন উৎপাদন একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি: টিস্যু কালচার থেকে মাদার স্পন তৈরির গাইড আপনাদের জন্যে ।
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি: তিনটি প্রধান ধাপ
মাশরুমের বীজ বা স্পন তৈরির প্রক্রিয়াটি মূলত তিনটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:
১. টিস্যু কালচার (Tissue Culture): বিশুদ্ধ কালচার তৈরি।
২. মাদার স্পন (Mother Spawn): মাতৃ বীজ তৈরি।
৩. বাণিজ্যিক স্পন (Commercial Spawn): চাষিদের ব্যবহারের জন্য চূড়ান্ত বীজ।
১. প্রথম ধাপ: স্পন টিস্যু কালচার ও PDA তৈরি
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে টিস্যু কালচার তৈরির জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো P.D.A (Potato Dextrose Agar)। এটি মূলত মাশরুমের ছত্রাক বৃদ্ধির জন্য একটি পুষ্টিকর খাবার হিসেবে কাজ করে। PDA তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ (১ লিটার পরিমাপের জন্য):
- আলু (Potato): ২০০ গ্রাম
- ডেক্সট্রোজ (Dextrose): ২০ গ্রাম
- অ্যাগার অ্যাগার (Agar Agar): ১৫ গ্রাম
- জল: ১ লিটার (শুরুতে ১.২ লিটার নিতে হবে)
PDA প্রস্তুত প্রণালী:
- ১. আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ: প্রথমে আলুর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো (আধা-এক ইঞ্চি সাইজ) করে নিতে হবে। এরপর ১.২ লিটার জলে টুকরোগুলো দিয়ে প্রায় ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। আলু এমনভাবে সেদ্ধ হবে যা হাতে চাপ দিলে ভেঙে যায় কিন্তু একদম গলে না যায়।
- ২. জল সংগ্রহ: সেদ্ধ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে আলুগুলো ছেঁকে শুধু জলটুকু সংগ্রহ করতে হবে। এবার জল মেপে ঠিক ১ লিটার করে নিতে হবে।
- ৩. মিশ্রণ তৈরি: সংগৃহীত ১ লিটার জলের সাথে ২০ গ্রাম ডেক্সট্রোজ এবং ১৫ গ্রাম অ্যাগার পাউডার মিশিয়ে আবার ৫-১০ মিনিট মাঝারি আঁচে গরম করতে হবে।
- ৪. জমানোর পরীক্ষা: মিশ্রণটি তৈরি হয়েছে কি না বোঝার জন্য একটি চামচে সামান্য জল নিয়ে বাইরে ফেলে দেখুন। যদি জলটি দ্রুত জমে যায় বা আঠালো ভাব লাগে, তবে বুঝতে হবে আপনার PDA ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।
১.১ স্টেরিলাইজেশন বা জীবাণুমুক্তকরণ পদ্ধতি
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে টিস্যু কালচার তৈরির ক্ষেত্রে শতভাগ জীবাণুমুক্ত পরিবেশ থাকা বাধ্যতামূলক। এটি দুইভাবে করা যায়:
ক) অটো ক্লেভ (Autoclave) মেশিনের মাধ্যমে:
কাঁচের বোতল বা পেট্রি ডিশে ২৫-৩০ মিলি করে PDA ঢেলে তুলো দিয়ে মুখ বন্ধ করতে হবে। এরপর অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা পেপার দিয়ে মুখটি মুড়ে দিয়ে অটো ক্লেভ মেশিনে ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১৫ PSI) চাপে ১৫ মিনিট স্টেরিলাইজ করতে হবে। মেশিন বন্ধ করার প্রায় ২ ঘণ্টা পর বের করে নিতে হবে।
খ) প্রেসার কুকারের মাধ্যমে (ঘরোয়া পদ্ধতি):
বড় প্রেসার কুকারে ১-২ লিটার জল দিয়ে তার ভেতর একটি স্ট্যান্ড বা আটা ছাঁকনি বসিয়ে দিন। জলের ওপর PDA ভরা বোতলগুলো সাবধানে রাখুন। কুকারের ঢাকনা আটকে মাঝারি আঁচে একটি সিটি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর আঁচ কমিয়ে দিয়ে ২০ মিনিট (প্রায় ৪-৫টি সিটি) রেখে নামিয়ে নিন। নামানোর পর বোতলগুলোকে একটি টেবিলের উপর কাত করে (Slant position) শুইয়ে রাখুন যাতে PDA জমে গিয়ে একটি বড় ক্ষেত্র তৈরি করে। ৩-৪ ঘণ্টা পর এগুলো জেলির মতো জমে গেলে ব্যবহারের উপযোগী হবে।
১.২ টিস্যু ইনোকুলেশন (মাশরুমের অংশ যুক্ত করা)
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে টিস্যু কালচার হলো মূলত পছন্দের মাশরুমের কোষ থেকে ছত্রাক বা মাইসেলিয়াম বৃদ্ধি করা। মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতির প্রধান অংশ এটি :
- পদ্ধতি: আপনি যে প্রজাতির স্পন (যেমন- ওয়েস্টার, মিল্কি বা বাটন) তৈরি করতে চান, সেই প্রজাতির একটি ফ্রেশ মাশরুম নিন। ল্যামিনার এয়ার ফ্লো বা জীবাণুমুক্ত পরিবেশে মাশরুমটির মাঝখান থেকে অল্প কিছু টিস্যু কেটে নিয়ে আগে থেকে তৈরি করে রাখা PDA বোতলের ভেতরে বসিয়ে দিন।
- ফলাফল: এই মিশ্রণটি কয়েকদিন অন্ধকার জায়গায় রাখলে দেখা যাবে সাদা জালের মতো মাইসেলিয়াম পুরো PDA ঢেকে দিচ্ছে। একেই বলা হয় বিশুদ্ধ টিস্যু কালচার।
১.৩ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম: ল্যামিনার এয়ার ফ্লো ও ল্যাব সেটআপ
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে মাশরুমের টিস্যু কালচার সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে করার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো ল্যামিনার এয়ার ফ্লো (Laminar Air Flow) মেশিন।
- গঠন ও কাজ: এটি সাধারণত ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের একটি কাঁচঘেরা চেম্বার। এর ভেতরে একটি UV (Ultra Violet) বাল্ব থাকে যা ভেতরের সব জীবাণু ধ্বংস করে। কাজের সময় ইউভি লাইট বন্ধ করে সাধারণ টিউব লাইট এবং Blower চালানো হয়, যা বাইরের বাতাসকে ফিল্টার করে ভেতরে পাঠায়।
- ব্যবহার বিধি: কাজ শুরুর ২০ মিনিট আগে ইউভি লাইট চালিয়ে রাখতে হবে। এরপর হাত এবং টেবিল ৭০% ইথানল বা স্পিরিট দিয়ে মুছে নিতে হবে। ল্যামিনার মেশিনের ভেতরে একটি স্পিরিট ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাখতে হবে যাতে ইনোকুলেশন বা টিস্যু স্থানান্তরের সময় কোনো জীবাণু প্রবেশ করতে না পারে।
- আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম: একটি ধারালো চিমটা (Forceps), স্ক্যালপেল বা সার্জিক্যাল ব্লেড এবং স্পিরিট ল্যাম্প।
১.৪ ইনোকুলেশন বা টিস্যু স্থানান্তর পদ্ধতি
- ১. ল্যামিনার মেশিনের ভেতর স্পিরিট ল্যাম্প জ্বালিয়ে চিমটা ও ব্লেড আগুনের শিখায় গরম করে লাল করে নিতে হবে (জীবাণুমুক্ত করার জন্য)।
- ২. এবার সংগৃহীত ফ্রেশ মাশরুমের মাঝখান থেকে এক চিলতে টিস্যু কেটে নিয়ে PDA বোতলের ঠিক মাঝখানে স্থাপন করতে হবে।
- ৩. মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে দ্রুত বোতলের মুখ কটন প্লাগ ও ফয়েল পেপার দিয়ে আটকে দিতে হবে।
- ৪. এই বোতলগুলো BOD Incubator মেশিনে ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বা একটি অন্ধকার ঘরে হালকা আলোতে রাখতে হবে।
- ৫. ৭ দিন পর সাদামাইসেলিয়াম দেখা যাবে এবং ১৫-২০ দিনের মধ্যে একটি বিশুদ্ধ টিস্যু কালচার তৈরি হবে।
২.মাদার মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি ও উপকরণের সঠিক ব্যবহার
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে টিস্যু কালচার থেকে যখন বড় পরিসরে বীজ তৈরি করা হয়, তাকে বলা হয় মাদার স্পন। এটি তৈরির জন্য সাধারণত গম, ধান, ভুট্টা বা জোয়ার ব্যবহার করা হয়।
উপকরণ (১ কেজি গমের জন্য):
- পরিষ্কার গম: ১ কেজি
- ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4): ২০ গ্রাম
- ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3): ২০ গ্রাম
- পিপি ব্যাগ (PP Bag), তুলা ও রাবার ব্যান্ড।
প্রস্তুত প্রণালী:
- ১. গম সেদ্ধ: পরিষ্কার গম ধুয়ে নিয়ে ২০ মিনিট আধা-সেদ্ধ করতে হবে।
- ২. জল ঝরানো: চালনিতে রেখে জল ঝরিয়ে ৪ ঘণ্টা ছায়ায় শুকিয়ে নিতে হবে যাতে গমের গায়ে বাড়তি জল না থাকে।
- ৩. রাসায়নিক মিশ্রণ: মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে গমের সাথে ক্যালসিয়াম সালফেট ও কার্বোনেট ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে (এটি গমের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং পিএইচ মান ঠিক রাখে)।
- ৪. প্যাকেটিং: ২০০-৪০০ গ্রাম করে গম পিপি ব্যাগে ভরে মুখে তুলো দিয়ে রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকে দিতে হবে।
- ৫. স্টেরিলাইজেশন: এই প্যাকেটগুলো অটোক্লেভ মেশিনে ২২ PSI চাপে ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা অথবা প্রেসার কুকারে ১টি সিটি দিয়ে ২০ মিনিট রাখতে হবে।
- ৬. টিকা প্রদান (Inoculation): প্যাকেটগুলো ঠান্ডা হওয়ার পর ল্যামিনার মেশিনে নিয়ে টিস্যু কালচার থেকে ১-২ গ্রাম মাইসেলিয়াম প্রতিটি প্যাকেটে মিশিয়ে দিতে হবে।
- ৭. ২০-২৫ দিন ইনকিউবেশনে রাখলে প্যাকেটগুলো সম্পূর্ণ সাদা হয়ে মাদার স্পন তৈরি হবে।

ইনকিউবেশন ও মাইসেলিয়াম বৃদ্ধি
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে টিস্যু বা মাদার স্পন ইনোকুলেশন করার পর বোতল বা প্যাকেটগুলোকে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে রাখতে হয় যাতে মাইসেলিয়াম দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে:
তাপমাত্রা: বোতল বা প্যাকেটগুলো ২৫° ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা সবথেকে ভালো (BOD Incubator ব্যবহার করলে সবথেকে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়)।
অন্ধকার ঘর: মাইসেলিয়াম বৃদ্ধিতে সরাসরি আলো বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তাই বোতলগুলো একটি অন্ধকার বা খুব কম আলোযুক্ত ঘরে রাখা হয়।
সময়সীমা: সাধারণত ৭ দিন পর সাদা মাইসেলিয়াম দেখা যায় এবং ১৫-২০ দিনের মধ্যে পুরো বোতল বা প্যাকেটটি সাদা তুলোর মতো মাইসেলিয়ামে ঢেকে যায়। একেই ‘ফুল রান’ বলা হয়।
৩. বাণিজ্যিক স্পন (Commercial Spawn) তৈরি
মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি-তে মাদার স্পন থেকে যখন চাষিদের বিক্রির জন্য চূড়ান্ত বীজ তৈরি করা হয়, তাকে বাণিজ্যিক স্পন বলে। এর উৎপাদন পদ্ধতি অনেকটা মাদার স্পনের মতোই, তবে এখানে টিস্যু কালচারের বদলে মাদার স্পন ব্যবহার করা হয়।
পদ্ধতি: জীবাণুমুক্ত গমের প্যাকেটে প্রতিটিতে ১০-১৫ গ্রাম মাদার স্পন মিশিয়ে দিতে হবে।
সময়: ৭-৮ দিন পর প্যাকেটগুলো হালকা ঝাঁকিয়ে দিতে হবে যাতে মাইসেলিয়াম সমানভাবে ছড়ায়। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্যিক স্পন বিক্রির জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।
আপনি যদি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে চান, তবে সঠিক মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি জানা আপনার জন্য অপরিহার্য। অনেক নতুন উদ্যোক্তা ভুল পদ্ধতির কারণে বীজে ছত্রাকের আক্রমণ ঘটায়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক নিয়মে মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতি অনুসরণ করলে ১০০% বিশুদ্ধ বীজ পাওয়া সম্ভব।
আড়ও দেখুন কাঁচা মাশরুম সংরক্ষণ পদ্ধতি: ৭ দিন পর্যন্ত সতেজ রাখার বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক কৌশল
৪. স্পন উৎপাদনে আয় ও লাভের হিসাব
মাশরুমের বীজ বা স্পন উৎপাদন বর্তমানে একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা। নিচে এর একটি গড় হিসাব দেওয়া হলো:
| বিবরণ | পরিমাণ/খরচ |
| ১ কেজি স্পন তৈরিতে সম্ভাব্য খরচ | ৪০ – ৫০ টাকা |
| ১ কেজি স্পনের বর্তমান বাজার মূল্য | ৯০ – ১০০ টাকা |
| নিট লাভ (প্রতি কেজি) | ৫০ – ৬০ টাকা |
কৃষি সুত্র সতর্কতা: মাশরুম স্পন তৈরির পদ্ধতিস্পন তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সামান্যতম অবহেলায় বা অপরিচ্ছন্নতায় পুরো ব্যাচ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তাই জীবাণুমুক্তকরণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
উপসংহার
মাশরুম চাষের মূল ভিত্তি হলো গুণগত মানসম্পন্ন স্পন বা বীজ। টিস্যু কালচার ও মাদার স্পন তৈরির প্রক্রিয়াটি কিছুটা প্রযুক্তিগত এবং স্পর্শকাতর হলেও, সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা অবলম্বন করলে ঘরে বসেই উচ্চমানের স্পন উৎপাদন করা সম্ভব। এটি কেবল নিজের খামারের খরচই কমায় না, বরং বাণিজ্যিকভাবে স্পন বিক্রি করে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি করে।
পরিচ্ছন্নতা এবং সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখাই এই ব্যবসার সাফল্যের আসল চাবিকাঠি। আপনি যদি মাশরুম চাষী হন তবে চেষ্টা করুন মাশরুম স্পন তৈরি করার । এর জন্যে উদ্যান পালন বিভাগ ,কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ,জাতীয় মাশরুম গবেষণা কেন্দ্রে আপনি প্রকটিক্যাল প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন এবং মাশরুম ও স্পন বিক্রয় করেন দীগুণ আয় করতে পারবেন ।
FAQ: মিল্কি মাশরুম চাষ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: মাশরুম স্পন তৈরি করতে কত দিন সময় লাগে?
উত্তর: টিস্যু কালচার থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক স্পন হাতে পেতে সাধারণত ৩৫ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগে।
প্রশ্ন: স্পন তৈরির জন্য গমের বিকল্প আর কী ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: গমের বিকল্প হিসেবে ধান, জোয়ার, বাজরা বা ভুট্টার ভাঙা অংশ ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রশ্ন: ল্যামিনার এয়ার ফ্লো মেশিন কি অত্যাবশ্যক?
উত্তর: হ্যাঁ, বিশুদ্ধ টিস্যু কালচার তৈরি করতে এবং জীবাণুর সংক্রমণ এড়াতে ল্যামিনার এয়ার ফ্লো মেশিন ব্যবহার করা সবথেকে নিরাপদ।
প্রশ্ন: স্পন তৈরিতে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: এটি গমের পিএইচ (pH) লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং গমের দানাগুলোকে একে অপরের সাথে লেগে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।










