পি এম সূর্য ঘর যোজনা রেজিস্ট্রেশন: প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা সুবিধা ও অনলাইন আবেদন পদ্ধতি

বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামীণ ভারতীয় কৃষক দম্পতি এবং পিএম সূর্য ঘর যোজনা ২০২৬-এর ব্যানার।
প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনা ২০২৬: ছাদের সোলার প্যানেল দিয়ে বিদ্যুৎ বিল শূন্য করার সহজ গাইড।

PM সূর্য ঘর: মুফ্‌ত বিজলি যোজনা (PM Surya Ghar: Muft Bijli Yojana) হলো ভারত সরকারের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, যার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রতিটি বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া এবং বিদ্যুৎ বিলের খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা। নিচে পিএম সূর্য ঘর যোজনা রেজিস্ট্রেশন মূল পয়েন্ট বা প্রধান দিক গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. পি এম সূর্য ঘর যোজনা উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য

  • বিনামূল্যে বিদ্যুৎ: এই স্কিমের মাধ্যমে দেশের প্রায় ১ কোটি পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।
  • বিদ্যুৎ বিল থেকে মুক্তি: ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর পর সাধারণ লাইট, পাখা, টিভি বা ফ্রিজ চালানোর জন্য গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা প্রায় থাকবেই না, ফলে বিদ্যুৎ বিল আসবে নামমাত্র বা শূন্য।
  • বাড়তি আয়ের সুযোগ: আপনার সোলার প্যানেল থেকে তৈরি হওয়া বিদ্যুৎ নিজের প্রয়োজন মেটানোর পর যদি উদ্বৃত্ত থাকে, তবে তা আপনি গ্রিডের মাধ্যমে সরকারের কাছে (যেমন পশ্চিমবঙ্গে WBSEDCL বা CESC) বিক্রি করতে পারবেন। এতে প্রতি মাসে একটা বাড়তি আয়ের রাস্তা তৈরি হবে।
  • খরচ ও কার্বন নিঃসরণ কমানো: সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিলের খরচ বাঁচানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ কমানো এবং সবুজ শক্তির (Green Energy) ব্যবহার বাড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

আড়ও জানতে ক্লিক করুন – PM কিষান নতুন অনলাইন আবেদন ও স্ট্যাটাস চেক কিভাবে করবেন

২. প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনার সুবিধা ও ভর্তুকি

সোলার প্যানেল বসানোর খরচের ওপর সরকার একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সাহায্য বা ভর্তুকি সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দিচ্ছে:

  • ১ কিলোওয়াট (1 kW) সিস্টেমের জন্য: প্রায় ৩০,০০০ টাকা ভর্তুকি।
  • ২ কিলোওয়াট (2 kW) সিস্টেমের জন্য: প্রায় ৬০,০০০ টাকা ভর্তুকি।
  • ৩ কিলোওয়াট (3 kW) বা তার বেশি সিস্টেমের জন্য: সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাওয়া যাবে।

৩. সহজ ব্যাংক ঋণ

সোলার প্যানেল বসানোর প্রাথমিক খরচ জোগানোর জন্য কোনো রকম গ্যারান্টি ছাড়াই (Collateral-free) ব্যাংক থেকে খুব কম সুদে (বর্তমানে মাত্র প্রায় ৭%) ঋণের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

৪. প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর সোলার সিস্টেমের আনুমানিক মূল দাম ও খরচ

পিএম সূর্য ঘর যোজনার অধীনে নিজের বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসাতে গেলে ক্ষমতার (kW) ওপর ভিত্তি করে খরচ আলাদা হয়। নিচে বিভিন্ন কিলোওয়াটের জন্য আনুমানিক মূল দাম এবং সরকারের দেওয়া ভর্তুকি বাদে আপনার পকেট থেকে কত টাকা খরচ হতে পারে, তার একটি ধারণা দেওয়া হলো:

১ কিলোওয়াট (1 kW) সিস্টেমের জন্য:

  • আনুমানিক মূল দাম: প্রায় ৫০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকা।
  • সরকারি ভর্তুকি: ৩০,০০০ টাকা।
    আপনার খরচ (ভর্তুকি বাদে): প্রায় ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা। (এটি মূলত ছোট পরিবার বা যাদের বিদ্যুৎ খরচ কম, তাদের জন্য উপযুক্ত।)

২ কিলোওয়াট (2 kW) সিস্টেমের জন্য:

  • আনুমানিক মূল দাম: প্রায় ১,০০,০০০ টাকা থেকে ১,১০,০০০ টাকা।
  • সরকারি ভর্তুকি: ৬০,০০০ টাকা।
  • আপনার খরচ (ভর্তুকি বাদে): প্রায় ৪০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। (মাঝারি পরিবার যেখানে পাখা, লাইট ও টিভির ব্যবহার বেশি, তাদের জন্য এটি দারুণ।)

৩ কিলোওয়াট (3 kW) সিস্টেমের জন্য:

  • আনুমানিক মূল দাম: প্রায় ১,৪৫,০০০ টাকা থেকে ১,৫০,০০০ টাকা।
    সরকারি ভর্তুকি: ৭৮,০০০ টাকা (সর্বোচ্চ)।
  • আপনার খরচ (ভর্তুকি বাদে): প্রায় ৬৭,০০০ থেকে ৭২,০০০ টাকা। (যেসব বাড়িতে এসি (AC) বা বড় পাম্প চালানো হয়, তাদের জন্য ৩ কিলোওয়াট সিস্টেমের প্রয়োজন হয়।)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই মূল দামটি একটি আনুমানিক হিসাব। আপনি কোন কোম্পানির সোলার প্যানেল বা ইনভার্টার বাছছেন এবং আপনার রাজ্যে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থার অনুমোদিত ভেন্ডরের (Vendor) রেট কত, তার ওপর ভিত্তি করে খরচের পরিমাণ সামান্য কম-বেশি হতে পারে। তবে সোলার প্যানেলের স্থায়িত্ব সাধারণত ২৫ বছর পর্যন্ত হয়, তাই এই প্রাথমিক খরচটি দীর্ঘমেয়াদে আপনার বিদ্যুৎ বিল সম্পূর্ণ বাঁচিয়ে দেবে।

প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনা কারা পাবেন?

  • ১. ভারতীয় নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে অবশ্যই একজন স্থায়ী ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
  • ২. নিজস্ব পাকা বাড়ি ও ছাদ: আবেদনকারীর নিজস্ব একটি পাকা বাড়ি থাকতে হবে এবং সেই বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর মতো পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত ফাঁকা জায়গা (ছাদ) থাকতে হবে।
  • ৩. বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ: আবেদনকারীর নামে একটি সক্রিয় ও বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ (Electricity Connection) থাকতে হবে এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের রেকর্ড থাকতে হবে।
  • ৪. আগে সুবিধা না নেওয়া: আবেদনকারী বা তাঁর পরিবারের কেউ আগে এই ধরণের কোনো সরকারি সোলার রূফটপ স্কিমের আওতায় ভর্তুকি বা আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকলে এই যোজনায় আর আবেদন করতে পারবেন না।

কারা PM সূর্য ঘর যোজনার সুবিধা পাবেন না?

  • সরকারি কর্মচারী: পরিবারের কোনো সদস্য যদি স্থায়ী সরকারি চাকরিজীবী হন, তবে তারা সাধারণত এই স্কিমের অগ্রাধিকার তালিকায় পড়েন না।
  • আয়কর দাতা: পরিবারের কোনো সদস্য যদি আয়কর প্রদান করেন, তবে তারা এই যোজনার সুবিধা পাবেন না।

৫. পি এম সূর্য ঘর যোজনা রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন ডকুমেন্টস

যোগ্যতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং সোলার প্যানেল বসানোর জন্য নিজের পাকা বাড়ি বা পর্যাপ্ত ছাদ থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনায় আবেদনের জন্য যে ডকুমেন্ট গুলো আপলোড করতে হবে:

  • ১. সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিল : গত ৬ মাসের মধ্যে যেকোনো একটি বিদ্যুৎ বিল (অবশ্যই PDF বা JPEG ফরম্যাটে, সাইজ ৩০০ থেকে ৫০০ KB)। বিলে উপভোক্তার নাম ও কনজিউমার নম্বর পরিষ্কার থাকতে হবে।
  • ২. ফাঁকা ছাদের ছবি : আপনার বাড়ির ছাদে যেখানে সোলার প্যানেল বসানো হবে, সেই ফাঁকা জায়গার একটি পরিষ্কার ছবি তুলে আপলোড করতে হবে।
  • ৩. ব্যাংক পাসবই বা বাতিল চেক: যে অ্যাকাউন্টে সরকার সরাসরি ভর্তুকির টাকা (DBT) পাঠাবে, সেই ব্যাংক পাসবইয়ের প্রথম পাতার পরিষ্কার ছবি বা একটি বাতিল চেক আপলোড করতে হবে।

পিএম সূর্য ঘর যোজনায় রেজিস্ট্রেশন তথ্য

নিচের এই ডকুমেন্টগুলো আলাদা করে স্ক্যান করে আপলোড করার কোনো বক্স বা অপশন ফর্মে থাকে না, তবে ফর্মের ঘরগুলো পূরণ করতে এবং অনলাইন ভেরিফিকেশনের জন্য এগুলো বাধ্যতামূলক ভাবে লাগবে।

  • DBT লিঙ্কড মোবাইল নম্বর: : মোবাইল নম্বরটি দিতে হবে, যা ওটিপি (OTP) এর মাধ্যমে অনলাইনেই ভেরিফাই হয়ে যাবে। যে মোবাইল নম্বরটি আপনার আধার এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত (Direct Benefit Transfer সক্রিয়), সেই নম্বরটি দিয়েই পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন ও লগইন করতে হবে।
  • ভোটার কার্ড বা আইডি প্রুফ: আবেদনকারীর সঠিক নাম ও ঠিকানা মেলানোর জন্য এটি সাথে রাখা ভালো।
  • সচল ইমেল আইডি (Email ID): এটি ফর্মে দেওয়া বাধ্যতামূলক, কারণ আবেদনের সমস্ত নোটিফিকেশন ও স্ট্যাটাস ইমেলে পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা অনলাইন আবেদনের নিয়ম

পিএম সূর্য ঘর মুফ্‌ত বিজলি যোজনা সুবিধা নিতে কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন? আবেদন প্রক্রিয়াটি মূলত ৪টি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিত পদ্ধতি দেওয়া হলো:

ধাপ ১: পিএম সূর্য ঘর যোজনা রেজিস্ট্রেশন (পোর্টালে)

১. প্রথমে আবেদনকারীকে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট pmsuryaghar.gov.in-এ যেতে হবে।
২. সেখানে “Apply for Rooftop Solar” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৩. এরপর নিচের তথ্যগুলো দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে:

  • মোবাইল নং এবং ক্যাপচা দিয়ে OTP ভেরিফিকেশন করতে হবে।
  • রাজ্যের নাম (State) এবং জেলার নাম (District)।
  • বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার নাম বা DISCOM)—যেমন পশ্চিমবঙ্গে WBSEDCL বা CESC।
  • কনজিউমার অ্যাকাউন্ট নম্বর —যা বিদ্যুৎ বিলের উপরে লেখা থাকে।
  • একটি সচল ইমেইল আইডি দিয়ে ভেরিফাই OTP করতে হবে।
  • সেভ পাবলিশ ক্লিক করলে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

ধাপ ২: পিএম সূর্য ঘর যোজনায় রেজিস্ট্রেশন এর পর রূফটপ সোলারের জন্য আবেদন

  • ১. রেজিস্ট্রেশন সফল হলে, কনজিউমার নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে পোর্টালে লগইন (Login) করতে হবে।
  • ২. লগইন করার পর Rooftop Solar Application Form-টি স্ক্রিনে আসবে।
  • ৩. এখানে বাড়ির ছাদের পরিমাপ, কত কিলোওয়াটের (kW) সোলার সিস্টেম বসাতে চান তা উল্লেখ করতে হবে এবং সাম্প্রতিক একটি বিদ্যুৎ বিলের কপি আপলোড করতে হবে।
  • ৪. ফর্মটি ভালোভাবে চেক করে সাবমিট করতে হবে। এরপর আপনার বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা (DISCOM) থেকে আপনার আবেদনটি খতিয়ে দেখে টেকনিক্যাল অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

ধাপ ৩: সোলার প্যানেল ইনস্টলেশন

  • ১. DISCOM থেকে অনুমোদন পেয়ে গেলে, আপনার রাজ্যের জন্য নথিভুক্ত বা অনুমোদিত যেকোনো ভেন্ডরের (Registered Vendor) তালিকা থেকে একজনকে বেছে নিতে হবে।
  • ২. পোর্টালে ভেন্ডর সিলেক্ট করার সময় স্ক্রিনে একটি পপ-আপ (Popup) বক্স আসবে। সেখানে যদি আপনি চান যে আপনার বেছে নেওয়া সোলার ভেন্ডর বা কোম্পানিটিই আপনার হয়ে বাকি আবেদনপত্রটি পূরণ করে দিক, তবে ‘Yes’ বাটনে ক্লিক করবেন। আর যদি আপনি নিজের আবেদন নিজেই পূরণ করতে চান, তবে ‘No’ অপশনটি বেছে নেবেন।
  • ৩. সেই ভেন্ডরের মাধ্যমে আপনার বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেলটি বসিয়ে নিতে হবে (ইনস্টলেশন সম্পন্ন করতে হবে)।

ধাপ ৪: নেট মিটারিং ও ভর্তুকির আবেদন

  • ১. সোলার প্যানেল বসানো হয়ে গেলে ভেন্ডর বা আবেদনকারীকে পোর্টালে “Installation Details” সাবমিট করতে হবে এবং নেট মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে।
  • ২. বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা এসে আপনার বাড়িতে নেট মিটার বসিয়ে যাবেন এবং পুরো সিস্টেমটি যাচাই (Inspect) করবেন।
  • ৩. যাচাইকরণ সফল হলে তারা পোর্টাল থেকে একটি কমিশনিং সার্টিফিকেট ইস্যু করবেন।
  • ৪. সার্টিফিকেট পেয়ে গেলে, পোর্টালে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (Bank Details) এবং একটি বাতিল চেক আপলোড করতে হবে।
  • ৫. পিএম সূর্য ঘর যোজনা রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন জমা পড়ার ৩০ দিনের মধ্যে সরকার সরাসরি আপনার ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা পাঠিয়ে দেবে।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. PM সূর্য ঘর যোজনা কি?

উত্তর: এটি ভারত সরকারের একটি প্রকল্প, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে প্রতি মাসে ৩00 ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।

২. PM সূর্য ঘর যোজনার সাবসিডি কত?

উত্তর: পিএম সূর্য ঘর যোজনা ১ কিলোওয়াটের জন্য ৩0,০০০ টাকা, ২ কিলোওয়াটের জন্য ৬০,০০০ টাকা এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশির জন্য সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়।

৩. ৩ কিলোওয়াট সোলার প্যানেল বসাতে কত খরচ হয়?

উত্তর: মোট খরচ প্রায় ১,৪৫,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা। তবে ৭৮,০০০ টাকা সরকারি ভর্তুকি বাদ দিলে গ্রাহকের পকেট থেকে প্রকৃত খরচ হয় মাত্র ৬৭,০০০ থেকে ৭২,০০০ টাকার মতো।

৪. PM সূর্য ঘর যোজনার টাকা কবে পাওয়া যায়?

উত্তর: ছাদে সোলার প্যানেল ও নেট মিটার বসার পর পোর্টালে ভর্তুকির আবেদন করতে হয়। আবেদন করার ৩০ দিনের মধ্যে টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে আসে।

৫. ভাড়া বাড়িতে কি এই যোজনার সুবিধা পাওয়া যাবে?

উত্তর: না। এই সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে অবশ্যই বাড়ির মালিক হতে হবে এবং বিদ্যুৎ বিলটি তাঁর নিজের নামে থাকতে হবে।

৬. আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগে?

উত্তর: মূলত ৩টি জিনিস আপলোড করতে হয়: সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ বিলের কপি, ফাঁকা ছাদের ছবি এবং ব্যাংক পাসবইয়ের প্রথম পাতা বা বাতিল চেক।

৭. মোবাইল দিয়ে কীভাবে আবেদন করব?

উত্তর: মোবাইলের ব্রাউজারে pmsuryaghar.gov.in পোর্টালে গিয়ে কনজিউমার নম্বর ও ওটিপি (OTP) দিয়ে নাম রেজিস্টার করে ফর্ম পূরণ করা যাবে। অথবা অফিসিয়াল ‘PM-Surya Ghar’ অ্যাপ ডাউনলোড করেও আবেদন করতে পারেন।

৮. সোলার প্যানেল কত বছর লাস্টিং করে?

উত্তর: এই সোলার প্যানেলগুলো অত্যন্ত উন্নত মানের হয় এবং এগুলো সাধারণত ২৫ বছর বা তার বেশি সময় সচল থাকে।

৯. মেঘলা দিনে বা বর্ষাকালে কি সোলার প্যানেল কাজ করে?

উত্তর: হ্যাঁ, কাজ করে। তবে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের তুলনায় মেঘলা বা বর্ষাকালের দিনগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা কম হয়।

১০. সোলার প্যানেল বসালে কি বিদ্যুৎ বিল একদম শূন্য আসবে?

উত্তর: হ্যাঁ, প্রায় শূন্য বা নামমাত্র আসতে পারে। আপনার তৈরি করা সৌরবিদ্যুৎ যদি আপনার ব্যবহারের চেয়ে বেশি বা সমান হয়, তবে শুধু মিটারের ফিক্সড রেন্ট ছাড়া বাড়তি কোনো বিল আসবে না।

১১. PM সূর্য ঘর যোজনার হেল্পলাইন নম্বর কত?

উত্তর: যেকোনো তথ্যের জন্য সরকারের অফিশিয়াল জাতীয় টোল-ফ্রি নম্বর হলো 155333


Spread the love

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top