কোচবিহার DRDC সাফল্য: CMSA ও IFC প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি ও জীবিকা উন্নয়নের রূপান্তর

DMMU-DRDC নেতৃত্বের পটভূমি

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের কৃষি প্রধান জেলা কোচবিহারে জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন শাখা (DRDC)-র নিরলস প্রচেষ্টায় আনন্দধারা প্রকল্পের অধীনে গ্রামোন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নের নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে। সফল CMSA (সুসংহত সুস্থায়ী চাষ ব্যবস্থাপনা) পদ্ধতির অভিজ্ঞতায় জেলার কোণায় কোণায় গড়ে ওঠা ‘লাখপতি দিদি’ ও সফল নারী উদ্যোক্তারা আজ গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাঁদের অদম্য লড়াইয়ের বাস্তব কাহিনী নিবন্ধের মাঝে দেওয়া সাফল্য গাথা লিঙ্কে পাবেন।

কোচবিহার DRDC সাফল্যে প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলো থেকে সৃষ্টিশ্রী মেলা— জেলা প্রশাসনের এই আধুনিক কৃষি মডেল আজ সর্বত্র প্রশংসিত। মূলত মাটি, জল ও শ্রমের সঠিক ব্যবহারে উর্বরতা বৃদ্ধি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ জীবিকা পরি-ষেবা কেন্দ্র, প্রডিউসার গ্রুপ এবং PMFME প্রকল্পের সংযোগে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উন্নত বিপণন ব্যবস্থার সমন্বয়ে আয় বৃদ্ধির এক সফল দিশা দেখাচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার মডেল।

আরো দেখুন – স্বনির্ভর গোষ্ঠী PMFME স্কিমে ৩৫% সাবসিডি খাদ্য পণ্য তৈরি ঋণ আবেদন পদ্ধতি।

২০২৪ থেকে ২০২৬: সাফল্যের জয়যাত্রা

পেছনের ইতিহাস: ২০২৪ থেকে কৃষি বিপ্লবের সূচনা সাফল্যের এই জয়যাত্রা হঠাৎ শুরু হয়নি। ২০২৪ সালেও প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল আনন্দধারা, তবে তখন থিম ছিল স্কুল ইউনিফর্ম ও হ্যান্ডক্রাফট। কিন্তু কৃষির প্রকৃত জোয়ার আসে ২০২৪ সালের শেষে। DRDC প্রজেক্ট ডাইরেক্টর (PD) মহাশয়ের উৎসাহ ও তৎকালীন ডেপুটি প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মনিটর (DPDM) মহাশয়ার বিচক্ষণ তদারকি এবং লাইভলিহুড বিভাগের অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসন (RP) মহাশয় (যিনি কৃষি বিভাগ থেকে অবসর নিয়ে নতুন যোগদান করেছিলেন)

অক্লান্ত পরিশ্রমে রাসমেলায় প্রথমবার ১৫ দিনের জন্য পুষ্টি বাগানের ডেমো প্লট তৈরি হয়। মদন মোহন মন্দিরের পাশে ধর্মশালা মাঠে সেই ডেমো দেখতে মানুষের ঢল নেমেছিল, যেখানে CMSA প্রকল্প টিমের সি.আর.পি-রা হাতে-কলমে মানুষকে জৈব কৃষির পাঠ দিয়েছিলেন।

আড়ও দেখতে ক্লিক করুন লাখপতি দিদি যোজনা কি? লাখপতি দিদি তৈরির রূপরেখা।

২০২৫: পুষ্টি বাগানের জয়জয়কার ও নেতৃত্বের পরিবর্তন ২০২৪-এর সেই বীজ অঙ্কুরিত হয় ২০২৫ সালের ২৬শে জানুয়ারি। তৎকালীন ডিপিডি ম্যাডাম ও আরপি স্যারের সুচারু পরিকল্পনায় ‘পুষ্টি বাগান’ ও ‘জৈব কৃষি’ থিম নিয়ে ট্যাবলো প্রদর্শন করে আনন্দধারা জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে।

2025 প্রজাতন্ত্র দিবসে কোচবিহার drdc জৈব কৃষি ট্যাবলো সমন্বিত কৃষি মডেল

২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় রাসমেলা মাঠে সৃষ্টিশ্রী মেলা সেখানেও কৃষি ও স্বাস্থ্য কে প্রাধান্য দিয়ে জৈব পুষ্টি বাগান ও মাশরুম চাষ, পৌলট্রি ব্যবসা কে খড়ের কারুকার্য পূর্ণ গ্রামীণ ঘরে ফুটিয়ে তুলা হয় (CMSA) প্রকল্পের কৃষি-পুষ্টি বাগান মডেল।

২০২৫ সালের ৩০শে নভেম্বর ম্যাডাম বদলি হয়ে যাওয়ার পর দায়িত্ব নেন নতুন ডেপুটি প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মনিটর (DPDM) প্রশাসনিক মহলে তিনি তাঁর তীক্ষ্ণ মনিটরিং দক্ষতার জন্য পরিচিত। পিডি (PD) সাহেবের সর্বদা সদর্থক উৎসাহে ফার্ম সেক্টরের এই জয়যাত্রা আরও গতি পায়।

2026 প্রজাতন্ত্র দিবসইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার (IFC) ট্যাবলো তে পুরস্কার নিয়ে ছবি তুলছেন DRDC কর্মীরা।

২০২৬: IFC মডেল ও প্রজাতন্ত্র দিবসের গৌরব অক্টোবর ২০২৫ থেকে কোচবিহার ১ ও ২ ব্লকে ৯০০টি পরিবারকে নিয়ে শুরু হওয়া Integrated Farming Cluster -এর প্রচারকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি সমন্বিত কৃষি থিম নিয়ে ট্যাবলো প্রদর্শিত হয় এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। জেলা শাসক (DM) ও এসপি (SP) মহাশয়ের হাত থেকে পিডি মহাশয়, ডিপিডিএম মহাশয়া এবং আরপি মহাশয় পুরস্কার গ্রহণ করেন।

কোচবিহার DRDC সাফল্য: 26 জানুয়ারি 2026 প্রজাতন্ত্র দিবসে জেলা শাসক ও SP স্যার এর কাছ থেকে PD,DPDM,RP মহাশয় পুরস্কার গ্রহণ করছেন।
2026 প্রজাতন্ত্র দিবসে জেলা শাসক মহাশয় DRDC কতৃপক্ষের হতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন।

সৃষ্টিশ্রী মেলা ২০২৬: IFC ডেমো মডেলের জীবন্ত প্রদর্শনী

আধুনিক কৃষির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি ২৭শে জানুয়ারি থেকে ৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়োজিত ‘সৃষ্টিশ্রী মেলা‘-তে কোচবিহার DRDC-এর প্রদর্শনী ক্ষেত্রটি ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। আরপি পীযূষ দত্ত মহাশয়ের পরিকল্পনা ও সুদক্ষ সিআরপি (CRP) দের নিপুন কর্মশৈলী দিয়ে ইন্টিগ্রেটেড ফর্মিং ক্লাস্টারের বহুমুখী দিকগুলো এখানে একটি জীবন্ত ডেমো মডেলের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।

সৃষ্টিশ্রী মেলা 2025 কৃষি-পুষ্টি বাগান মডেল ডেমো।
কোচবিহার DRDC সাফল্য:সৃষ্টিশ্রী মেলা 2025 কৃষি-পুষ্টি বাগান মডেল ডেমো।

১. জীবিকা পরি -সেবা কেন্দ্র:

মেলার প্রাঙ্গণে একটি শৈল্পিক খড়ের ঘর তৈরি করা হয়েছিল, যা মূলত একটি জীবিকা পরি -সেবা কেন্দ্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়। ঘরের বারান্দায় একটি ল্যাপটপ নিয়ে ‘স্মার্ট সেল পয়েন্ট’ দেখানো হয়েছিল, যা প্রমাণ করে যে কোচবিহারের SHG দিদিরা এখন ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও পিছিয়ে নেই।

Livelihood Service Center স্থাপন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে [এখানে ক্লিক করুন]

২. হাতে তৈরি ইনকিউবেটর ও আধুনিক পশুপালন

সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল হাতে তৈরি ‘ডিম ফোটানো মেশিন‘। লাইভ কানেকশনের মাধ্যমে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা বের করার প্রক্রিয়াটি মানুষকে অবাক করেছে। এর পাশেই খাঁচায় উন্নত জাতের মুরগি পালন এবং ছাগল-গরু পালনের বৈজ্ঞানিক দিকগুলো প্রদর্শিত হয়েছে।

পশুপালনে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন কোচবিহার আনন্দধারা সফল ছাগল খামারী সফলতার গল্পটি লিঙ্কে ক্লিক করে প্রিয়াঙ্কা রায়ের ‘লাখপতি দিদি’ হয়ে ওঠার সাফল্য গল্প।

৩. পুকুর কেন্দ্রিক সমন্বিত চাষ ও রিসাইকেল পদ্ধতি

মডেলটির কেন্দ্রে ছিল একটি পুকুর। যেখানে একদিকে মাছ চাষ, অন্যদিকে ধান চাষের মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে। পুকুরের ওপর মাচা করে লতানো সবজি চাষ এবং পাড় ধরে ফলন্ত ফলের গাছ—সম্পদ ব্যবহারের এক অসামান্য উদাহরণ। ব্যানার ও ডেমোর মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে খামারের বর্জ্য পুনরায় ব্যবহার করে সারের খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা যায়।

সমন্বিত কৃষি ক্লাস্টার (IFC) নান্দনিক দৃশ্য।

কোচবিহার আনন্দধারা সাফল্য: মহিলা কিষানের সমন্বিত কৃষি মডেল বাস্তব প্রতিফলন দেখতে ক্লিক করুন শূন্য থেকে লাখপতি: অমৃতা দাসের প্রতি মাসে ৩৫,০০০-৪০,০০০ টাকা আয় সাফল্যের কৃষি সূত্র

মেলার ব্যবস্থাপনা ও মানবিক ছোঁয়া

মেলার মূল পরিচালনায় ডিপিডি ম্যাডামের পাশাপাশি ডিস্ট্রিক্ট ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর (DTC) এবং ডিস্ট্রিক্ট ট্রেনিং এক্সপার্ট (DTE) মহাশয়ের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। মেলা উদ্বোধনের দিন বিশেষ অতিথি জেলা কৃষি আধিকারিক অসিতবরণ মণ্ডল মহাশয় ইন্টিগ্রেটেড ফর্মিং ক্লাস্টার ডেমো দেখে মুগ্ধ হন। মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ ও অভিভাবকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে IFC মডেলের মাধ্যমে জৈব পদ্ধতিতে বিষমুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন করে সন্তানের মুখে তুলে দেওয়ার প্রচারটি অভিভাবকদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে।

মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ থাকলেও DTC মহাশয়ের দূরদর্শী ভাবনায়মিউজিক্যাল বল, বাস্কেট বল, হাঁড়ি ভাঙা ও হাঁটা প্রতিযোগিতার মতো চমৎকার আয়োজনে দিদিদের আনন্দের পরিবেশ বজায় ছিল। এছাড়া মেলা পরিচালনায় DRDC পরিবারের কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা মেলাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। বিশেষ করে নমি, পূজা, নবনীতা, বাবলি, বর্ণালী, অনন্যা, চম্পা ও জয়া দিদিরা যেমন স্টল ও অনুষ্ঠানের বিচক্ষণ তদারকি করেছেন, তেমনি খেলায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও পুরস্কার প্রাপ্তি সৃষ্টিশ্রী মেলা ২০২৬-কে আরও প্রাণবন্ত ও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছিল।

IFC প্রকল্পের ৪টি মূল স্তম্ভ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

ইন্টিগ্রেটেড ফর্মিং ক্লাস্টার প্রকল্প প্রচারের মূল উদ্দেশ্য ছিল চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া:

  • ১. নিয়মিত আয় নিশ্চিতকরণ: বছরের ৩৬৫ দিন কোনো না কোনো উৎস থেকে আয় বজায় রাখা।
  • ২. প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিকল্প: ফসল নষ্ট হলেও পশুপালন, মৎস্য চাষ ও NTFP বা ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে আর্থিক সুরক্ষা।
  • ৩. পরিবেশবান্ধব চাষ: জীবামৃত, অগ্নি-অস্ত্র, নিম-অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে খরচ কমানো।
  • ৪. পুষ্টি ও বিপণন: পরিবারের দৈনিক পুষ্টি নিশ্চিত করে উৎপাদক গোষ্ঠী (PG) গঠনের [বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ] মাধ্যমে সঠিক দামে ফসল বিক্রি।
সৃষ্টিশ্রী মেলা  2026 , কোচবিহার DRDC - পরিবারকে নিরলস পরিশ্রম এর জন্যে সন্মানিত করছেন DPD মেডাম।
সৃষ্টিশ্রী মেলা 2026 , কোচবিহার DRDC – পরিবারকে নিরলস পরিশ্রম এর জন্যে সন্মানিত করছেন DPDM মেডাম।

আড়ও দেখুন – ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং ক্লাস্টার (IFC) গাইডলাইন ২০২৬: লাখপতি দিদি হওয়ার সম্পূর্ণ গাইড

উপসংহার

কোচবিহার DRDC আজ নারীর কল্যাণে ও প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার্থে সৃষ্টিশ্রী মেলা ও এলএসসি (LSC)-র মাধ্যমে গ্রামেই আধুনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে চলেছে। আগামীতে আরও ক্লাস্টারের মাধ্যমে অসংখ্য পরিবারকে যুক্ত করার যে বিশাল পরিকল্পনা রয়েছে, এই কন্টেন্টটি তারই এক ক্ষুদ্র প্রচার দলিল। DPDM ম্যাডাম মেলার শেষ দিনে যে একতাবদ্ধ কাজের জন্য চালক থেকে শুরু করে সমস্ত স্টাফদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, সেই ‘টিম ওয়ার্ক‘-ই কোচবিহারের আনন্দধারা-কে আজ সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।

FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী)

প্রশ্ন: সৃষ্টিশ্রী মেলা কী?

উত্তর: সৃষ্টিশ্রী মেলা হলো নারী উদ্যোক্তা এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) দিদিদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনী ও বিপণনের একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই মেলায় হস্তশিল্প থেকে শুরু করে জৈব কৃষিপণ্যের এক চমৎকার সমাহার দেখা যায়।

প্রশ্ন: CMSA প্রকল্প কী ছিল?

উত্তর: CMSA (Community Managed Sustainable Agriculture) ছিল একটি গ্রামীণ কৃষি প্রকল্প, যা মূলত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের রাসায়নিক বর্জন করে প্রাকৃতিক চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং চাষের খরচ কমিয়ে কৃষকদের ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে নারী কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন ও টেকসই জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

প্রশ্ন: কোচবিহার DRDC নারী উন্নয়নে কীভাবে কাজ করে?

উত্তর: কোচবিহার DRDC (District Rural Development Cell) জেলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের একটি শাখা, যা জেলা স্তরে DMMU (District Mission Management Unit) হিসেবে কাজ করে এবং DRDC সাগরদিঘি চত্বরে কোচবিহার পৌরসভা ও SP অফিসের সাথেই অবস্থিত। এটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) দিদিদের কৃষি ও অ-কৃষি, SHG প্রশিক্ষণ, ব্যাংক ঋণ, PMFME এবং CMSA ও IFC প্রকল্প গুলিকে গ্রাম ভিত্তিক বাস্তবায়ন করে চলেছে।

প্রশ্ন: PMFME প্রকল্পের সুবিধা কী এবং কারা আবেদন করতে পারবেন?

উত্তর: PMFME (Pradhan Mantri Formalisation of Micro food processing Enterprises) প্রকল্পের প্রধান সুবিধা হলো ক্ষুদ্র খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ উদ্যোগের আধুনিকীকরণ ও ব্যবসায়িক উন্নয়ন। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য আবেদনকারীরা প্রকল্পের মোট খরচের ওপর ৩৫% পর্যন্ত সাবসিডি (Subsidy) বা সরকারি ভর্তুকি পান, যার সর্বোচ্চ সীমা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। মূলত ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG), সমবায় সমিতি এবং কৃষক উৎপাদক সংস্থাগুলো (FPO) এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে আবেদন করতে পারেন।

তথ্য সূত্র ও কৃতজ্ঞতা

  • প্রাথমিক উৎস: এই প্রতিবেদনে বর্ণিত সকল সাংগঠনিক, পুরস্কার প্রাপ্তি তথ্য ও মেলা অভিজ্ঞতার বিবরণ সরাসরি কোচবিহার গ্রাম উন্নয়ন বিভাগ DRDC-DMMU (District Rural Development Cell – District Mission Management Unit) অফিস থেকে সংগৃহীত।
  • প্রকল্পের কারিগরি তথ্য: IFC, LSC এবং CMSA সংক্রান্ত প্রকল্পের বিস্তারিত নীতিমালা ও রূপরেখা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘আনন্দধারা’ (NRLMWBSRLM ) প্রকল্পের অফিসিয়াল গাইডলাইন থেকে সংগৃহীত।

আরো কিছু তথ্য দেখতে নীচের লিঙ্কে গুলিতে ক্লিক করুন।

Spread the love

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top